সিএনএমঃ
খাগড়াছড়ির রামগড়ে বিজিবির অভিযানে জব্দ করা ৩ কোটি টাকা মূল্যমানের বিভিন্ন প্রকারের মাদকদ্রব্য আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টার সময় রামগড় পৌরসভার তৈচালাপাড়ায় বিজিবির ব্যাটালিয়ন সদরের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। খাগড়াছড়ির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাজেদ হোসাইনের উপস্থিতিতে মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ।
ধ্বংস করা মাদকদ্রব্যের মধ্যে ছিল, বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদ, বিয়ার, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, চোলাই মদ, ভারতীয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট, ট্যাবলেটসহ নেশা জাতীয় দ্রব্য।
বিজিবি জানায়, গুইমারা সেক্টরের অধীন যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি), খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি) এবং রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) কর্তৃক গত ফেব্রুয়ারি ২০২২ হতে ৩১ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দকৃত ৩ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হয়।
মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সোহেল আহমেদ বলেন, ‘মাদককে সম্পূর্ণ না করতে হবে। প্রথমে নিজেদের ঘর থেকে মাদক নির্মূল করতে হবে। অস্ত্র কিংবা বহি শত্রু একটা দেশ ধ্বংস করতে পারে না, কিন্তু মাদক তা পারে। তাই সীমান্তে বিজিবি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করছে। মাদক ধ্বংস- এটি কোন বড় সাফল্য নয়, যখন সীমান্তে ১ পিস মাদকদ্রব্য আসবে না, তখনই আমরা সফল হব।’
তিনি আরও বলেন, বিজিবি দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখবে।’
মাদকদ্রব্য ধ্বংসকালে আরও উপস্থিত ছিলেন গুইমারা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মিজানুর রহমান, রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম, খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহীনুল ইসলাম, যামিনীপাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি) অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মেজর মো. মঈনুল আলম, রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী শামীম, খাগড়াছড়ি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল হামিদ, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজির আলম, হ্যাডম্যান-কার্বারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম কর্মীরা।
Reporter Name 




















