ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০ বছর আগে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ
রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুক না পেয়ে গরম পানি ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় স্বামী মো. সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (১৭ অগাস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৫ মে আসামি সানাউল্লাহ তার স্ত্রী রুবিনা আক্তার পিংকিকে যৌতুকের জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে কেরোসিনের চুলায় পানি গরম করে ভিক্টিমের শরীরে ঢেলে দেন।
এ সময় ভিক্টিমের শরীরের বেশ কিছু জায়গা ঝলসে যায়। একপর্যায়ে ভিক্টিমের চিৎকারে আশপাশের সবাই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে সেখানেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ভিক্টিমের মা রাবিয়া আক্তার কামরাঙ্গীচর থানায় সানাউল্লাহসহ দশজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর সানাউল্লাহকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ। সানাউল্লাহ ছাড়া বাকি ৯ জনকে বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

২০ বছর আগে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

সিএনএমঃ
রাজধানীর কামরাঙ্গীচরে যৌতুক না পেয়ে গরম পানি ঢেলে স্ত্রীকে হত্যার মামলায় স্বামী মো. সানাউল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (১৭ অগাস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৫ মে আসামি সানাউল্লাহ তার স্ত্রী রুবিনা আক্তার পিংকিকে যৌতুকের জন্য মারধর করেন। একপর্যায়ে কেরোসিনের চুলায় পানি গরম করে ভিক্টিমের শরীরে ঢেলে দেন।
এ সময় ভিক্টিমের শরীরের বেশ কিছু জায়গা ঝলসে যায়। একপর্যায়ে ভিক্টিমের চিৎকারে আশপাশের সবাই তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে গেলে সেখানেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ভিক্টিমের মা রাবিয়া আক্তার কামরাঙ্গীচর থানায় সানাউল্লাহসহ দশজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছরের ২০ নভেম্বর সানাউল্লাহকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ। সানাউল্লাহ ছাড়া বাকি ৯ জনকে বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। মামলার বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।