ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুপক্ষের সংঘর্ষ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পাশাপাশি কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে অন্তত ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বরুনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসময় আশপাশের কয়েকটি ঘরবাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।

পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে নাওড়া-ইছাখালী সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাইড দেওয়া নিয়ে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন দুই নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সমর্থক আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের তর্ক-বিতর্ক ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বিষয়টি সমাধানের জন্য সোমবার রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের সভাপতিত্বে বরুনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গ্রাম্য সালিস বৈঠক বসে। উভয়পক্ষ নিজ নিজ সমর্থিতদের নিয়ে বৈঠকে হাজির হয়। বৈঠকে দুপক্ষ নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্‌বিতণ্ডার শুরু হয় এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি ৩ থেকে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন (৩৫), মোমেন খাঁ (২৮), অপু মিয়াকে (২২) ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিল্লাল হোসেন বহিরাগত ও তার সমর্থিতরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের সমর্থককরাই গ্রাম্য সালিস বৈঠকে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুপক্ষের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

সিএনএমঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ চলাকালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পাশাপাশি কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। এতে অন্তত ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বরুনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে আহতদের ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসময় আশপাশের কয়েকটি ঘরবাড়িতে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।

পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে নাওড়া-ইছাখালী সড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সাইড দেওয়া নিয়ে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন দুই নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সমর্থক আমিন হোসেনের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেনের তর্ক-বিতর্ক ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিল্লাল হোসেন রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বিষয়টি সমাধানের জন্য সোমবার রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুনের সভাপতিত্বে বরুনা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গ্রাম্য সালিস বৈঠক বসে। উভয়পক্ষ নিজ নিজ সমর্থিতদের নিয়ে বৈঠকে হাজির হয়। বৈঠকে দুপক্ষ নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে আবারও বাগ্‌বিতণ্ডার শুরু হয় এবং তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি ৩ থেকে ৪ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বিল্লাল হোসেন (৩৫), মোমেন খাঁ (২৮), অপু মিয়াকে (২২) ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিল্লাল হোসেন বহিরাগত ও তার সমর্থিতরা আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ করেছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন বলেন, রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের সমর্থককরাই গ্রাম্য সালিস বৈঠকে অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।