ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভুক্তভোগী তরুণী ইপিজেড থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই পুলিশের একটি দল ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার বিভিন্ন ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উচাই মারমা ও নুংথুই প্রু মারমার ছেলে আপ্রমং মারমা, উহল্লা প্রু মারমা ও সুইথুই মারমার ছেলে থুয়াইচিং মারমা এবং উহল্লা প্রু মারমা ও মৃত মাসুইনু মারমার ছেলে ওথাইইনু মারমা।

ভুক্তভোগী ওই তরুণী সিইপিজেডের এক গার্মেন্টসে চাকরি করেন এবং ইপিজেড এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, গত ১০ এপ্রিল ওই চাকমা তরুণীর বন্ধু চিকিৎসার জন্য ফেনী থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বাসায় ওঠেন। এ বিষয়ে একই বাসায় বসবাসকারী ওকরাইজা মারমা এলাকার পরিচিত ওথাইইনু মারমাকে জানালে তিনি আপ্রুমং মারমা ও থুয়াইচিং মারমাকে ডাকেন। এক পর্যায়ে থুয়াইচিং মারমা ওকরাইজা মারমার সহায়তায় ১৯ এপ্রিল রাত পৌনে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণীকে ব্যারিস্টার কলেজ রোডের একটি বাড়িতে আপ্রমং মারমার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা এবং ওথাইইনু মারমা ওই তরুণীকে বিভিন্ন আপত্তিকর কথা বলে। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা ওই তরুণীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং বাসা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভুক্তভোগী তরুণী ইপিজেড থানায় হাজির হয়ে অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাজহারুল ইসলাম এবং অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই মো. ইয়াছিন, এসআই মোহাম্মদ শাহীন মিয়া এবং এএসআই আব্দুর রহমান পাটোয়ারী পুলিশ ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের এই দল ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার বিভিন্ন ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা, ওথাইইনু মারমা ও ওকরাইজা মারমাকে গ্রেপ্তার করে।

আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের কাছে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ গ্রেপ্তার ৪

আপডেট সময় ০৬:৫০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সিএনএমঃ

চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকায় এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভুক্তভোগী তরুণী ইপিজেড থানায় হাজির হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই পুলিশের একটি দল ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার বিভিন্ন ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উচাই মারমা ও নুংথুই প্রু মারমার ছেলে আপ্রমং মারমা, উহল্লা প্রু মারমা ও সুইথুই মারমার ছেলে থুয়াইচিং মারমা এবং উহল্লা প্রু মারমা ও মৃত মাসুইনু মারমার ছেলে ওথাইইনু মারমা।

ভুক্তভোগী ওই তরুণী সিইপিজেডের এক গার্মেন্টসে চাকরি করেন এবং ইপিজেড এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন।

ইপিজেড থানার ওসি মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, গত ১০ এপ্রিল ওই চাকমা তরুণীর বন্ধু চিকিৎসার জন্য ফেনী থেকে চট্টগ্রামে এসে তার বাসায় ওঠেন। এ বিষয়ে একই বাসায় বসবাসকারী ওকরাইজা মারমা এলাকার পরিচিত ওথাইইনু মারমাকে জানালে তিনি আপ্রুমং মারমা ও থুয়াইচিং মারমাকে ডাকেন। এক পর্যায়ে থুয়াইচিং মারমা ওকরাইজা মারমার সহায়তায় ১৯ এপ্রিল রাত পৌনে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণীকে ব্যারিস্টার কলেজ রোডের একটি বাড়িতে আপ্রমং মারমার ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা এবং ওথাইইনু মারমা ওই তরুণীকে বিভিন্ন আপত্তিকর কথা বলে। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা ওই তরুণীকে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং বাসা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভুক্তভোগী তরুণী ইপিজেড থানায় হাজির হয়ে অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সহকারী পুলিশ কমিশনার (বন্দর জোন) মাজহারুল ইসলাম এবং অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই মো. ইয়াছিন, এসআই মোহাম্মদ শাহীন মিয়া এবং এএসআই আব্দুর রহমান পাটোয়ারী পুলিশ ফোর্সসহ অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের এই দল ব্যারিস্টার কলেজ এলাকার বিভিন্ন ভাড়া বাসা থেকে ঘটনায় জড়িত আপ্রমং মারমা, থুয়াইচিং মারমা, ওথাইইনু মারমা ও ওকরাইজা মারমাকে গ্রেপ্তার করে।

আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাদের আদালতের কাছে সোপর্দ করা হবে বলে জানান তিনি।