ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বনানী থানা পুলিশের সোর্স এর নিয়ন্ত্রণে মাদক ব্যবসা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
  • ২৭৬ বার পড়া হয়েছে
বনানী প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর বনানী থানা এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স শহীদ। ২০০৫ সালে বিস্ফোরক ও অস্ত্রসহ বনানীর হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে গ্রেফতার হয় শহীদ। জেল থেকে সাজা খেটে বের হওয়ার পর পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করে। শহীদের চাহিদা মেটানোর জন্য ফাঁসাতে পারে যে কাউকে। বর্তমানে সে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে।
কড়াইল বস্তি, গোডাউন বস্তি, এরশাদ নগর বস্তি, বনানী ২নাম্বার রোড, ওয়্যারলেস গেইট, হাজারিবাড়ি, ও টিবি গেইট সহ বনানী থানা এলাকার প্রতিটা অলিগলিতে শহীদ মাদক সাম্রাজ্য পরিচালনা করে আসছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, সোর্সদের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা আছে। তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাদের দিয়ে দেন। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে যে সোর্স মানি বরাদ্দ রয়েছে তা সোর্সদের কাছে পৌঁছানো হয় না। ফলে ওইসব সোর্সরা যেসব আলামত উদ্ধার বা জব্ধ করা হয় তার থেকে কিছু নিয়েই তারা আবার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এতে সোর্সরা বাধ্য হয়েই মাদক ব্যবসায় জড়িত হচ্ছে। পুলিশের সোর্সসহ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসা যারা করেন, তাদের তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন না। মাদক ব্যবসায়ী, তাদের গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের নাম, পিতার নাম, তাদের রাজনৈতিক দলীয় ও প্রশাসনিক পরিচয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রয়েছে। সারা দেশের মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের পৃষ্ঠপোষক গডফাদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান।
শহীদের সোর্স বাহিনীতে রয়েছে, হারুন, ভাগিনা হৃদয়, নাডা সুমন, ফটিক, নাসির উদ্দিন ও ড্রাইভার কাশেম। বনানী থানার সাবেক কনস্টেবল মিয়া হোসেন এখন বনানী থানায় না থাকলেও তাঁকে প্রায়ই শহীদের সাথে দেখা যায়।
স্থানীয় মুদি দোকানদার জানান, কড়াইল বস্তিতে মাদক ব্যবসার মহাজন শহীদ। যারা শহীদের কাছ থেকে মাদক নেয়না শুধু তারাই ধরা পড়ে। শহীদের ঘরে প্রতিদিন জুয়ার আসর বসে এবং মাদক সেবন চলে। শহীদের ঘরে প্রতিদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের যাতায়াত থাকে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

বনানী থানা পুলিশের সোর্স এর নিয়ন্ত্রণে মাদক ব্যবসা

আপডেট সময় ০২:১৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০২৩
বনানী প্রতিনিধিঃ
রাজধানীর বনানী থানা এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে এক আতঙ্কের নাম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সোর্স শহীদ। ২০০৫ সালে বিস্ফোরক ও অস্ত্রসহ বনানীর হিন্দুপাড়া বস্তি থেকে গ্রেফতার হয় শহীদ। জেল থেকে সাজা খেটে বের হওয়ার পর পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ শুরু করে। শহীদের চাহিদা মেটানোর জন্য ফাঁসাতে পারে যে কাউকে। বর্তমানে সে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে।
কড়াইল বস্তি, গোডাউন বস্তি, এরশাদ নগর বস্তি, বনানী ২নাম্বার রোড, ওয়্যারলেস গেইট, হাজারিবাড়ি, ও টিবি গেইট সহ বনানী থানা এলাকার প্রতিটা অলিগলিতে শহীদ মাদক সাম্রাজ্য পরিচালনা করে আসছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, সোর্সদের জন্য যে অর্থ বরাদ্দ করা আছে। তা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তাদের দিয়ে দেন। কিন্তু পুলিশের পক্ষ থেকে যে সোর্স মানি বরাদ্দ রয়েছে তা সোর্সদের কাছে পৌঁছানো হয় না। ফলে ওইসব সোর্সরা যেসব আলামত উদ্ধার বা জব্ধ করা হয় তার থেকে কিছু নিয়েই তারা আবার মাদক ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এতে সোর্সরা বাধ্য হয়েই মাদক ব্যবসায় জড়িত হচ্ছে। পুলিশের সোর্সসহ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসা যারা করেন, তাদের তথ্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানেন। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেন না। মাদক ব্যবসায়ী, তাদের গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের নাম, পিতার নাম, তাদের রাজনৈতিক দলীয় ও প্রশাসনিক পরিচয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে রয়েছে। সারা দেশের মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের পৃষ্ঠপোষক গডফাদারদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান।
শহীদের সোর্স বাহিনীতে রয়েছে, হারুন, ভাগিনা হৃদয়, নাডা সুমন, ফটিক, নাসির উদ্দিন ও ড্রাইভার কাশেম। বনানী থানার সাবেক কনস্টেবল মিয়া হোসেন এখন বনানী থানায় না থাকলেও তাঁকে প্রায়ই শহীদের সাথে দেখা যায়।
স্থানীয় মুদি দোকানদার জানান, কড়াইল বস্তিতে মাদক ব্যবসার মহাজন শহীদ। যারা শহীদের কাছ থেকে মাদক নেয়না শুধু তারাই ধরা পড়ে। শহীদের ঘরে প্রতিদিন জুয়ার আসর বসে এবং মাদক সেবন চলে। শহীদের ঘরে প্রতিদিন রাত থেকে ভোর পর্যন্ত পুলিশের যাতায়াত থাকে।