ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উঠানের নিচ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামীসহ গ্রেপ্তার ২

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ২০ দিন পর এক গৃহবধূর মরদেহ বাড়ির উঠানের নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও তার এক আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার করিমপুর চা বাগান এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বাড়ির উঠান খুঁড়ে জায়দা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৩ জুলাই নিখোঁজের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের স্বামী আলমগীর আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে হত্যার পর গত ১৭ জুন বাড়ির উঠানে প্রায় আট ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে মরদেহ পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশের দাবি। পরে তার দেখানো স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান জানান, ঘটনার পর আলমগীর তাদের জানিয়েছিলেন, জায়দা কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গেছেন। তবে কয়েকদিন ধরে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে তারা থানায় অভিযোগ করেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, প্রায় ১২ বছর আগে পরিবারের অমতে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জায়দা ও আলমগীর। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ ঘটনায় আলমগীর আলী ও তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ জালালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

উঠানের নিচ থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামীসহ গ্রেপ্তার ২

আপডেট সময় ০৯:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

সিএনএমঃ

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ২০ দিন পর এক গৃহবধূর মরদেহ বাড়ির উঠানের নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ও তার এক আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার করিমপুর চা বাগান এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে বাড়ির উঠান খুঁড়ে জায়দা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৩ জুলাই নিখোঁজের ঘটনায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তদন্তের অংশ হিসেবে নিহতের স্বামী আলমগীর আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে হত্যার পর গত ১৭ জুন বাড়ির উঠানে প্রায় আট ফুট গভীর গর্ত খুঁড়ে মরদেহ পুঁতে রাখার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশের দাবি। পরে তার দেখানো স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা আব্দুল হান্নান জানান, ঘটনার পর আলমগীর তাদের জানিয়েছিলেন, জায়দা কাজের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গেছেন। তবে কয়েকদিন ধরে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে তারা থানায় অভিযোগ করেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, প্রায় ১২ বছর আগে পরিবারের অমতে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন জায়দা ও আলমগীর। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ ঘটনায় আলমগীর আলী ও তার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ জালালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।