প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা আসসালামু আলাইকুম।
বরাবর
মহা-পুলিশ পরিদর্শক
বাংলাদেশ পুলিশ,
পুলিশ হেডকোয়াটার্স
ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।
বিষয়ঃ মুগদা থানায় ধর্ষণ মামলা না নেওয়ায় পুলিশ ও নারী ব্যবসায়ী ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
বাদীঃ
যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোসাঃ আসমা খাতুন, স্বামী-মোঃ মুখলেছার রহমান, মাতা-মনোয়ারা, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৬৪৪৩৮৬৯৬৫, সাং-চক কানপাড়া শাহী মসজিদের উত্তরে, চক কানপাড়া, ডাকঘরঃ বগুড়া-৫৮০০, শাজাহানপুর, বগুড়া পৌরসভা, বগুড়া। বর্তমান-চাষাড়া, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
বিবাদীঃ
১। মোঃ রহমত, বয়স-৪৮, ২। মোঃ জাহিদ ইসলাম, বয়স-৩৬ ৩। আমিনুল ইসলাম, বয়স-৩৫ ৪। মোঃ সোহাগ, বয়স-৪০ ৫। মজিবর, বয়স-৪৫ ৬। আজম মন্ডল রানা, বয়স-৪৫, ৭। মোসাঃ সাথী, বয়স-৩৫ ৮। অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জন সহায়তাকারী হোটেল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল এর ভাড়াটিয়া মালিক ও কর্মচারী নারী পাচারকারী ব্যবসায়ী দালাল।সর্ব ঠিকানাঃ হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক), ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ্বরোড়, ঢাকা।এরা হলো ধর্ষকদের সহায়তাকারী ও দায়িত্ব অবহেলাকারী এবং হুমকি দাতা ৯। মোঃ রাসেল, জিএম, হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)। ১০। অফিসার ইনচার্জ, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মোবাইল ঃ ০১৩২০-০৪০২৭২, ১১। ইন্সেপেক্টর তদন্ত, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ১২। ইন্সেপেক্টর অপারেশন, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ২৭/০৪/২০২৬ তারিখে রোজ সোমবার বিকাল ৪ টা হতে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত।
ঘটনার স্থানঃ
হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক), ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ্বরোড়, ঢাকা।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোসাঃ আসমা আমি থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি স্বামী পরিত্যাক্তা দুই সন্তানের জননী। দর্জি কাজ করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছিলাম। এমতাবস্থায় দর্জি কাজ না থাকায় কাজের সন্ধান করাকালীন আমার ১নং বিবাদীর সাথে পরিচয় হয়। ৭নং বিবাদী সাথী আমাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য বিভিন্ন সময় কথা বলে আসছিল। এমতাবস্থায় আমি রাজি হইলে সাথীর পরিচিত ১নং বিবাদীর সাথে আমাকে দেখা করিয়ে কথা বলায়। আমি ১ ও ৭নং বিবাদীর প্রস্তাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য রাজি হইলে তারা বলে মালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস এর কাজে বাংলাদেশী প্রায় মাসে ৭০ হাজার টাকা আমার বেতন পরবে। এই বলে, অদ্য বেলা ৩ ঘটিকার সময় আমাকে ১ ও ২নং বিবাদী কদমতলী থানাধীন পোস্তখোলা মোড়ে নিয়ে আসে। সেখানে এনে আরো অজ্ঞাতনামা দুইজন লোকের সাথে আমাকে কথা বলায়। তারা আমার কাছে সেলাইয়ের কি কি কাজ জানি জানতে চায়। এক পর্যায়ে ১ ও ২ নং বিবাদী বলে, আমাকে মুগদা এলাকায় তাদের বিদেশী বায়ারদের গার্মেন্টস আছে ঐ গার্মেন্টস এ আমার ট্রেনিং হবে। বিদেশে যাওয়ার গার্মেন্টস এর কাজের ট্রেনিং এর কথা বলে আমাকে মুগদা এলাকায় ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ^রোড হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) হোটেলের ৫ম তলায় আমাকে নিয়ে ৫-ই একটি কক্ষে বসায়। রুমের ভিতর প্রবেশ করে আমি খাটের উপর বসি এরিমধ্যে ১নং বিবাদীর কাছে আমি জানতে চাই যে এখানে বায়াররা কোথায় এরিমধ্যে ঐ রুমে অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে পর্যায়ক্রমে প্রবেশ করে। আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় তখন আমি বুঝতে পারি যে এদের উদ্দেশ্য ভালো না। ঐ মুহুর্তে আমি রুম থেকে দৌড়ে বের হতে নিলে ৭নং বিবাদী আমার চুলের মুঠি ধরে রুমের ভিতরে ঢুকায় এরপর অন্যান্য বিবাদীরা আমাকে ঝাপটে ধরে খাটের উপরে শোয়ায়। ১নং বিবাদী রুমের ছিটকারী লাগিয়ে দেয়। ১ হতে ৬ নং বিবাদীগণরা আমার পরিহিত জামা কাপড় খুলিয়া এবং আমাকে শারীরিক নির্যাতন করিয়া একের পর এক জন আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ৮নং বিবাদীরা হোটেল কর্মচারী। তারা ধর্ষণে সহযোগীতা করে। আমি ডাক চিৎকার দিলে বিবাদীরা তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামরায় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে অজ্ঞাতনামা বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে পাঠায়। আমার ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ক্যামেরার ধারণ করে এবং তাদের বন্ধু বান্ধবদের ধারণকৃত ভিডিও সরাসরি লাইভ দেখায়।
এমতাবস্থায় আনুমানিক বেলা ৫ ঘটিকার সময় আমি অসুস্থ হইয়া পরিলে বিবাদীরা আমাকে ছাড়িয়া দেয় এবং বলে এ নিয়ে যদি আমি বাড়াবাড়ি করি তাহলে আমাকে হত্যা করিয়া গুম করিয়া ফালানো হইবে আমার লাশ ও কেউ খুজে পাবে না। একপর্যায়ে আমি ঘটনাস্থল থেকে নামিয়া কিছুটা সুস্থ হইলে আমি আমার আত্মীয় স্বজনের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া মুগদা থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার পত্র দেই।
ধর্ষণের ঘটনায় মুগদা থানায় গিয়ে এজাহার দেওয়ার পর
২৭/০৪/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় আমি লেখাপড়া না জানায় মুগদা থানায় গিয়ে কম্পিউটার টাইপকৃত আমার স্বাক্ষরিত লিখিত এজাহার দেই।
থানায় এজাহার পাওয়ার পর মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন, সহ অজ্ঞাতনামা এসআই, এএসআই, একজন নারী কনস্টেবল ও কয়েকজন পুরুষ কনস্টেবল সহ তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করে ঘটনাস্থল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেরে গিয়ে হোটেলের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ধর্ষণের ঘটনার প্রমাণ পায় এবং হোটেলের ঘটনাস্থলের রুমে থাকা খাটের বিছানার উপর বিছানার উপর বিছানার চাঁদর এবং কনডম সংগ্রহ করে। যে চাদর দিয়ে ধর্ষণের পর প্রত্যেক ধর্ষক ঐ বিছানার চাদর দিয়েই ধর্ষণের আলামত মুছে বাথরুমে গিয়ে পানি ব্যবহার করেছিল। ঐ চাদর সংগ্রহ করার পর উক্ত হোটেলে প্রায় আড়াই ঘন্টা থেকে একাধিক আসামীকে গ্রেফতার করে এবং উক্ত হোটেল হতে আরোও কয়েকজন নারীকে উদ্ধার করে এবং পেশাদার ৪-৫ জন দেহজীবী নারীকে ঐ হোটেলের একটি কক্ষ হতে আটক করে। প্রায় আড়াই ঘন্টা উক্ত হোটেলে অভিযান চালানোর পর অজ্ঞাত কারণে সকলকে রুমে রেখে দিয়ে হোটেল হতে অজ্ঞাতনামা এক হোটেল কর্মচারীকে ম্যানেজার সাজিয়ে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর শুরু হয় পুলিশের নাটকীয়তা।
অভিযান শেষে মামলা না নিতে আমার উপর যে ধরনের চাপ প্রয়োগ করে অভিযান শেষে মামলা না নিতে আমার উপর যে ধরনের চাপ প্রয়োগ করে আমাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং আমাকে ওসি তদন্ত বলে, আমাকে মোটা অংকের আর্থিক লোভ দেখায় যাতে আমি ধর্ষণ মামলা না করে থানা থেকে চুপচাপ চলে যাই। মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন আলাদা আলাদা ভাবে আমাকে বিভিন্ন আর্থিক লোভ দেখায় এবং উল্লেখিত অফিসারদের কথায় আমি রাজি না হইলে আমার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরণ করে এবং ওসি তদন্ত, তার রুমের ভিতরে আমাকে একা পেয়ে গভীর রাতে একাধিকবার তার ঠোঁটে কিস করতে বলে এবং তার প্যান্টের চেইন খুলে দিয়ে তার পেনিস চুষতে বলে। একই ধরনের কথা অফিসার ইনচার্জ ও বলেছে। আমি তাদের কথায় রাজি না হইলে তাহারা আমার স্পর্শ কাতর জায়গায় হাতাহাতি করে। এরপরও তাদের কোন কথায় আমি রাজি না হইলে আমাকে পুলিশ কর্মকর্তারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে এতে আমি বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে থানায় থাকা অজ্ঞাতনামা মহিলা কনস্টেবল অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা আমাকে তাড়াতাড়ি চিকিৎসার জন্য মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। মুগদা হাসপাতালে নিয়ে আমার ধর্ষণের কথা গোপন রেখে মুগদা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে পুলিশ কেইসের একটি টিকেট নেয়। যাহার টিকেট রেজিষ্ট্রেশন নং-জ২৬৯৪৭৭৬১৪/৩৪, নাম-আসমা, রুম নং-১০২, ইসিজি পরীক্ষা টিকেট সিরিয়াল নং- ২৬০৪০২৩৬৩/৩৭, উধঃব-২৮/০৪/২০২৬, ওহাড়রপব ঘড়: ২৬০৪২৮০৩২১, ইসিজি রিপোর্ট নং-১২৬০৪১৩২৮৯৭ চিকিৎসা শেষে পুনরায় থানায় এনে চিকিৎসা শেষে পুনরায় থানায় এনে আবার ও আমাকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাতে আমি হোটেলের বিরুদ্ধে কোন মামলা না করি। কেননা ঐ হোটেল হতে নাকি মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন তিনজনে হোটেলে চলা অপকর্ম যেমন-মাদক, নারী দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও নারীদের আটক করে পতিতা বানানো বিভিন্ন অপরাধীদের আস্তানা হিসেবে অপরাধীদের নানাবিধ অপরাধ কর্ম করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নারী ব্যবসায়ী হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক ও কর্মচারী পরিচয়দানকারী স্টাফ মালিকদের কাছ হতে মাসে ৫-৬ লক্ষ টাকা চাঁদা (ঘুষ) পান তাই আমার ধর্ষণের ঘটনায় যদি মামলা হয় তাহলে ঐ হোটেলের অপকর্ম ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হবে- পুলিশের ডিসি, পুলিশ কমিশনার জেনে যাবে এজন্য আমার ধর্ষণের ঘটনায় মামলাটি মুগদা থানায় দায়ের করতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন পুলিশ কর্মকর্তারা মামলা নিতে ইচ্ছুক না। পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে এক লক্ষ টাকার লোভ দেখায়। আমাকে বলে, আমি যেন ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চুপচাপ মুগদা থানা থেকে চলে যাই এ কথা যেন বাহিরে কোথাও বলাবলি না করি। পুলিশের কথায় অবাধ্য হওয়ায় উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেয়।
আমি যখন তাদের কোন কথায় রাজি না হইলে আমার ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে মামলা করতে চাই তখন তিন পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন কর্মকর্তা উল্টো আমার বিরুদ্ধে-ই-মামলা নেওয়ার হুমকি দেয় এবং বলে আমাকে পতিতা সাজাইয়া হোটেল থেকে কিছু পেশাদার পতিতা এনে তাদের সাথে আমাকে একত্রিত করে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠাবে।
আমার ধর্ষণের চিকিৎসা ছাড়া হাসপাতাল থেকে থানায় আনার পর আমার ধর্ষণের কোন চিকিৎসা না করিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিয়ে ২৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় বিভিন্ন সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় এবং মোটা একটা অলিখিত খাতার একটি পাতায় আমার একটি স্বাক্ষর নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলে এই স্বাক্ষরে নাকি মুগদা থানায় আমার মুসলেখা নেওয়া হয়েছে আমার ঘটনায় থানায় মামলা করতে এলে নাকি কোন আইন আমলে আসবে না আমি নিজেই উল্টো ফেসে যাব। অফিসার ইনচার্জ (ওসি),ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন বলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাকি বুঝ দিতে আমার স্বাক্ষর গুলো নিয়েছে এবং আমার নাকি মুছলেখা নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল হতে ধর্ষণের আলামত লাগা বিছানার চাঁদরখানা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ইন্সেপেক্টর তদন্ত বলে, অফিসার ইনচার্জ নাকি বলেছে ঐ চাঁদরখানা দেখে দেখে যেন আমার মনকে শান্তনা দেই। আমার ধর্ষণের ঘটনায় মুগদা থানায় মামলা করার চিন্তাও যেন কোন দিন না করি। তাহলে আমার বিরুদ্ধেই উল্টো মামলা দেওয়া হবে।
এরপর আমাকে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়। আমার হাসপাতালের পুলিশ কেইসের কাগজটির উপরে পুলিশ কেইস লেখা সিলের পুলিশ কেইস শব্দটি কলমের কালি দিয়ে কেটে দেয় যাতে পুলিশ কেইস লেখাটি না বুঝা যায়।
এরপর ওসি সাহেব তার নিজ হাতে সাদা কাগজে একটি মোবাইল নাম্বার লিখে দেয় যাহার মোবাইল নং-০১৩২০০৪০২৭২ এবং আমাকে বলে, আসামীদের কখনো পাওয়া গেলে আমি তাদের ফোন করে যেন জানাই আসামীদের গ্রেফতার করা হবে আর তখন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের পরীক্ষা করানো হবে। আসামী ধরা ছাড়া তোমার মামলা নেওয়া যাবে না। ঘটনাস্থল হোটেল থেকে আনা আসামীদের কাছ হতে অনেক টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। আমি থানা হতে বের হয়ে আসার পথে রাসেল নামে এক ব্যক্তি হোটেলের জিএম পরিচয় দিয়ে আমাকে হুমকি ধমকি দিয়ে বলে আমার ধর্ষণের ঘটনায় যদি কখনো মুগদা থানায় মামলা করতে আসি তাহলে আমাকে এখান থেকে অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হবে। আমার ঘটনায় তারা নাকি ১১ লক্ষ টাকা তারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছেন। যাতে আমার ঘটনায় মুগদা থানায় কোন মামলা না হয়। আর তাদের হোটেলে চলা অসামাজিক কার্যকলাপ হোটেলের অর্ন্তরালে গড়ে উঠা পতিতালয় এর কার্যক্রম নিরাপদ থাকে।
অতএব, উল্লেখিত বিষয় তদন্ত পূর্বক আমার ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ পূর্বক আসামীদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বরাবর
মহা-পুলিশ পরিদর্শক
বাংলাদেশ পুলিশ,
পুলিশ হেডকোয়াটার্স
ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।
বিষয়ঃ মুগদা থানায় ধর্ষণ মামলা না নেওয়ায় পুলিশ ও নারী ব্যবসায়ী ধর্ষকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ।
বাদীঃ
যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোসাঃ আসমা খাতুন, স্বামী-মোঃ মুখলেছার রহমান, মাতা-মনোয়ারা, জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৪৬৪৪৩৮৬৯৬৫, সাং-চক কানপাড়া শাহী মসজিদের উত্তরে, চক কানপাড়া, ডাকঘরঃ বগুড়া-৫৮০০, শাজাহানপুর, বগুড়া পৌরসভা, বগুড়া। বর্তমান-চাষাড়া, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
বিবাদীঃ
১। মোঃ রহমত, বয়স-৪৮, ২। মোঃ জাহিদ ইসলাম, বয়স-৩৬ ৩। আমিনুল ইসলাম, বয়স-৩৫ ৪। মোঃ সোহাগ, বয়স-৪০ ৫। মজিবর, বয়স-৪৫ ৬। আজম মন্ডল রানা, বয়স-৪৫, ৭। মোসাঃ সাথী, বয়স-৩৫ ৮। অজ্ঞাতনামা ২০-৩০ জন সহায়তাকারী হোটেল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল এর ভাড়াটিয়া মালিক ও কর্মচারী নারী পাচারকারী ব্যবসায়ী দালাল।সর্ব ঠিকানাঃ হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক), ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ্বরোড়, ঢাকা।এরা হলো ধর্ষকদের সহায়তাকারী ও দায়িত্ব অবহেলাকারী এবং হুমকি দাতা ৯। মোঃ রাসেল, জিএম, হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক)। ১০। অফিসার ইনচার্জ, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মোবাইল ঃ ০১৩২০-০৪০২৭২, ১১। ইন্সেপেক্টর তদন্ত, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ১২। ইন্সেপেক্টর অপারেশন, মুগদা থানা, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ২৭/০৪/২০২৬ তারিখে রোজ সোমবার বিকাল ৪ টা হতে বিকাল ৫ ঘটিকা পর্যন্ত।
ঘটনার স্থানঃ
হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক), ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ্বরোড়, ঢাকা।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মোসাঃ আসমা আমি থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি স্বামী পরিত্যাক্তা দুই সন্তানের জননী। দর্জি কাজ করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছিলাম। এমতাবস্থায় দর্জি কাজ না থাকায় কাজের সন্ধান করাকালীন আমার ১নং বিবাদীর সাথে পরিচয় হয়। ৭নং বিবাদী সাথী আমাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য বিভিন্ন সময় কথা বলে আসছিল। এমতাবস্থায় আমি রাজি হইলে সাথীর পরিচিত ১নং বিবাদীর সাথে আমাকে দেখা করিয়ে কথা বলায়। আমি ১ ও ৭নং বিবাদীর প্রস্তাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য রাজি হইলে তারা বলে মালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস এর কাজে বাংলাদেশী প্রায় মাসে ৭০ হাজার টাকা আমার বেতন পরবে। এই বলে, অদ্য বেলা ৩ ঘটিকার সময় আমাকে ১ ও ২নং বিবাদী কদমতলী থানাধীন পোস্তখোলা মোড়ে নিয়ে আসে। সেখানে এনে আরো অজ্ঞাতনামা দুইজন লোকের সাথে আমাকে কথা বলায়। তারা আমার কাছে সেলাইয়ের কি কি কাজ জানি জানতে চায়। এক পর্যায়ে ১ ও ২ নং বিবাদী বলে, আমাকে মুগদা এলাকায় তাদের বিদেশী বায়ারদের গার্মেন্টস আছে ঐ গার্মেন্টস এ আমার ট্রেনিং হবে। বিদেশে যাওয়ার গার্মেন্টস এর কাজের ট্রেনিং এর কথা বলে আমাকে মুগদা এলাকায় ৫৯, অতীশ দিপংকর সড়ক, মুগদা বিশ^রোড হোটেল গ্রীন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) হোটেলের ৫ম তলায় আমাকে নিয়ে ৫-ই একটি কক্ষে বসায়। রুমের ভিতর প্রবেশ করে আমি খাটের উপর বসি এরিমধ্যে ১নং বিবাদীর কাছে আমি জানতে চাই যে এখানে বায়াররা কোথায় এরিমধ্যে ঐ রুমে অন্যান্য বিবাদীরা এক এক করে পর্যায়ক্রমে প্রবেশ করে। আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় তখন আমি বুঝতে পারি যে এদের উদ্দেশ্য ভালো না। ঐ মুহুর্তে আমি রুম থেকে দৌড়ে বের হতে নিলে ৭নং বিবাদী আমার চুলের মুঠি ধরে রুমের ভিতরে ঢুকায় এরপর অন্যান্য বিবাদীরা আমাকে ঝাপটে ধরে খাটের উপরে শোয়ায়। ১নং বিবাদী রুমের ছিটকারী লাগিয়ে দেয়। ১ হতে ৬ নং বিবাদীগণরা আমার পরিহিত জামা কাপড় খুলিয়া এবং আমাকে শারীরিক নির্যাতন করিয়া একের পর এক জন আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ৮নং বিবাদীরা হোটেল কর্মচারী। তারা ধর্ষণে সহযোগীতা করে। আমি ডাক চিৎকার দিলে বিবাদীরা তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামরায় ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে অজ্ঞাতনামা বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে পাঠায়। আমার ধর্ষণের চিত্র মোবাইল ক্যামেরার ধারণ করে এবং তাদের বন্ধু বান্ধবদের ধারণকৃত ভিডিও সরাসরি লাইভ দেখায়।
এমতাবস্থায় আনুমানিক বেলা ৫ ঘটিকার সময় আমি অসুস্থ হইয়া পরিলে বিবাদীরা আমাকে ছাড়িয়া দেয় এবং বলে এ নিয়ে যদি আমি বাড়াবাড়ি করি তাহলে আমাকে হত্যা করিয়া গুম করিয়া ফালানো হইবে আমার লাশ ও কেউ খুজে পাবে না। একপর্যায়ে আমি ঘটনাস্থল থেকে নামিয়া কিছুটা সুস্থ হইলে আমি আমার আত্মীয় স্বজনের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া মুগদা থানায় গিয়ে লিখিত এজাহার পত্র দেই।
ধর্ষণের ঘটনায় মুগদা থানায় গিয়ে এজাহার দেওয়ার পর
২৭/০৪/২০২৬ইং তারিখ রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় আমি লেখাপড়া না জানায় মুগদা থানায় গিয়ে কম্পিউটার টাইপকৃত আমার স্বাক্ষরিত লিখিত এজাহার দেই।
থানায় এজাহার পাওয়ার পর মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন, সহ অজ্ঞাতনামা এসআই, এএসআই, একজন নারী কনস্টেবল ও কয়েকজন পুরুষ কনস্টেবল সহ তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করে ঘটনাস্থল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেরে গিয়ে হোটেলের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ধর্ষণের ঘটনার প্রমাণ পায় এবং হোটেলের ঘটনাস্থলের রুমে থাকা খাটের বিছানার উপর বিছানার উপর বিছানার চাঁদর এবং কনডম সংগ্রহ করে। যে চাদর দিয়ে ধর্ষণের পর প্রত্যেক ধর্ষক ঐ বিছানার চাদর দিয়েই ধর্ষণের আলামত মুছে বাথরুমে গিয়ে পানি ব্যবহার করেছিল। ঐ চাদর সংগ্রহ করার পর উক্ত হোটেলে প্রায় আড়াই ঘন্টা থেকে একাধিক আসামীকে গ্রেফতার করে এবং উক্ত হোটেল হতে আরোও কয়েকজন নারীকে উদ্ধার করে এবং পেশাদার ৪-৫ জন দেহজীবী নারীকে ঐ হোটেলের একটি কক্ষ হতে আটক করে। প্রায় আড়াই ঘন্টা উক্ত হোটেলে অভিযান চালানোর পর অজ্ঞাত কারণে সকলকে রুমে রেখে দিয়ে হোটেল হতে অজ্ঞাতনামা এক হোটেল কর্মচারীকে ম্যানেজার সাজিয়ে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর শুরু হয় পুলিশের নাটকীয়তা।
অভিযান শেষে মামলা না নিতে আমার উপর যে ধরনের চাপ প্রয়োগ করে অভিযান শেষে মামলা না নিতে আমার উপর যে ধরনের চাপ প্রয়োগ করে আমাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং আমাকে ওসি তদন্ত বলে, আমাকে মোটা অংকের আর্থিক লোভ দেখায় যাতে আমি ধর্ষণ মামলা না করে থানা থেকে চুপচাপ চলে যাই। মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন আলাদা আলাদা ভাবে আমাকে বিভিন্ন আর্থিক লোভ দেখায় এবং উল্লেখিত অফিসারদের কথায় আমি রাজি না হইলে আমার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরণ করে এবং ওসি তদন্ত, তার রুমের ভিতরে আমাকে একা পেয়ে গভীর রাতে একাধিকবার তার ঠোঁটে কিস করতে বলে এবং তার প্যান্টের চেইন খুলে দিয়ে তার পেনিস চুষতে বলে। একই ধরনের কথা অফিসার ইনচার্জ ও বলেছে। আমি তাদের কথায় রাজি না হইলে তাহারা আমার স্পর্শ কাতর জায়গায় হাতাহাতি করে। এরপরও তাদের কোন কথায় আমি রাজি না হইলে আমাকে পুলিশ কর্মকর্তারা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে এতে আমি বেশি অসুস্থ হয়ে পরলে থানায় থাকা অজ্ঞাতনামা মহিলা কনস্টেবল অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা আমাকে তাড়াতাড়ি চিকিৎসার জন্য মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। মুগদা হাসপাতালে নিয়ে আমার ধর্ষণের কথা গোপন রেখে মুগদা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে পুলিশ কেইসের একটি টিকেট নেয়। যাহার টিকেট রেজিষ্ট্রেশন নং-জ২৬৯৪৭৭৬১৪/৩৪, নাম-আসমা, রুম নং-১০২, ইসিজি পরীক্ষা টিকেট সিরিয়াল নং- ২৬০৪০২৩৬৩/৩৭, উধঃব-২৮/০৪/২০২৬, ওহাড়রপব ঘড়: ২৬০৪২৮০৩২১, ইসিজি রিপোর্ট নং-১২৬০৪১৩২৮৯৭ চিকিৎসা শেষে পুনরায় থানায় এনে চিকিৎসা শেষে পুনরায় থানায় এনে আবার ও আমাকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাতে আমি হোটেলের বিরুদ্ধে কোন মামলা না করি। কেননা ঐ হোটেল হতে নাকি মুগদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন তিনজনে হোটেলে চলা অপকর্ম যেমন-মাদক, নারী দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ ও নারীদের আটক করে পতিতা বানানো বিভিন্ন অপরাধীদের আস্তানা হিসেবে অপরাধীদের নানাবিধ অপরাধ কর্ম করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য নারী ব্যবসায়ী হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক ও কর্মচারী পরিচয়দানকারী স্টাফ মালিকদের কাছ হতে মাসে ৫-৬ লক্ষ টাকা চাঁদা (ঘুষ) পান তাই আমার ধর্ষণের ঘটনায় যদি মামলা হয় তাহলে ঐ হোটেলের অপকর্ম ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি হবে- পুলিশের ডিসি, পুলিশ কমিশনার জেনে যাবে এজন্য আমার ধর্ষণের ঘটনায় মামলাটি মুগদা থানায় দায়ের করতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন পুলিশ কর্মকর্তারা মামলা নিতে ইচ্ছুক না। পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে এক লক্ষ টাকার লোভ দেখায়। আমাকে বলে, আমি যেন ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চুপচাপ মুগদা থানা থেকে চলে যাই এ কথা যেন বাহিরে কোথাও বলাবলি না করি। পুলিশের কথায় অবাধ্য হওয়ায় উল্টো আমার বিরুদ্ধে মামলা করার হুমকি দেয়।
আমি যখন তাদের কোন কথায় রাজি না হইলে আমার ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে মামলা করতে চাই তখন তিন পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন কর্মকর্তা উল্টো আমার বিরুদ্ধে-ই-মামলা নেওয়ার হুমকি দেয় এবং বলে আমাকে পতিতা সাজাইয়া হোটেল থেকে কিছু পেশাদার পতিতা এনে তাদের সাথে আমাকে একত্রিত করে মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠাবে।
আমার ধর্ষণের চিকিৎসা ছাড়া হাসপাতাল থেকে থানায় আনার পর আমার ধর্ষণের কোন চিকিৎসা না করিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিয়ে ২৮/০৪/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় বিভিন্ন সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় এবং মোটা একটা অলিখিত খাতার একটি পাতায় আমার একটি স্বাক্ষর নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলে এই স্বাক্ষরে নাকি মুগদা থানায় আমার মুসলেখা নেওয়া হয়েছে আমার ঘটনায় থানায় মামলা করতে এলে নাকি কোন আইন আমলে আসবে না আমি নিজেই উল্টো ফেসে যাব। অফিসার ইনচার্জ (ওসি),ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন বলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাকি বুঝ দিতে আমার স্বাক্ষর গুলো নিয়েছে এবং আমার নাকি মুছলেখা নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল গ্রিন সিলেট ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেল হতে ধর্ষণের আলামত লাগা বিছানার চাঁদরখানা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে ইন্সেপেক্টর তদন্ত বলে, অফিসার ইনচার্জ নাকি বলেছে ঐ চাঁদরখানা দেখে দেখে যেন আমার মনকে শান্তনা দেই। আমার ধর্ষণের ঘটনায় মুগদা থানায় মামলা করার চিন্তাও যেন কোন দিন না করি। তাহলে আমার বিরুদ্ধেই উল্টো মামলা দেওয়া হবে।
এরপর আমাকে গালমন্দ করে থানা থেকে বের করে দেয়। আমার হাসপাতালের পুলিশ কেইসের কাগজটির উপরে পুলিশ কেইস লেখা সিলের পুলিশ কেইস শব্দটি কলমের কালি দিয়ে কেটে দেয় যাতে পুলিশ কেইস লেখাটি না বুঝা যায়।
এরপর ওসি সাহেব তার নিজ হাতে সাদা কাগজে একটি মোবাইল নাম্বার লিখে দেয় যাহার মোবাইল নং-০১৩২০০৪০২৭২ এবং আমাকে বলে, আসামীদের কখনো পাওয়া গেলে আমি তাদের ফোন করে যেন জানাই আসামীদের গ্রেফতার করা হবে আর তখন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণের পরীক্ষা করানো হবে। আসামী ধরা ছাড়া তোমার মামলা নেওয়া যাবে না। ঘটনাস্থল হোটেল থেকে আনা আসামীদের কাছ হতে অনেক টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। আমি থানা হতে বের হয়ে আসার পথে রাসেল নামে এক ব্যক্তি হোটেলের জিএম পরিচয় দিয়ে আমাকে হুমকি ধমকি দিয়ে বলে আমার ধর্ষণের ঘটনায় যদি কখনো মুগদা থানায় মামলা করতে আসি তাহলে আমাকে এখান থেকে অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলা হবে। আমার ঘটনায় তারা নাকি ১১ লক্ষ টাকা তারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন পুলিশ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়েছেন। যাতে আমার ঘটনায় মুগদা থানায় কোন মামলা না হয়। আর তাদের হোটেলে চলা অসামাজিক কার্যকলাপ হোটেলের অর্ন্তরালে গড়ে উঠা পতিতালয় এর কার্যক্রম নিরাপদ থাকে।
অতএব, উল্লেখিত বিষয় তদন্ত পূর্বক আমার ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ পূর্বক আসামীদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বিনীত নিবেদক
মোসাঃ আসমা
মোবাইলঃ ০১৩২৬-৩০৭০১৭
তারিখঃ ০৩/০৫/২০২৬ইং
মোসাঃ আসমা
মোবাইলঃ ০১৩২৬-৩০৭০১৭
তারিখঃ ০৩/০৫/২০২৬ইং
Reporter Name 

























