ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

কুয়ালালামপুরে মানবপাচার চক্রের সন্ধান, আটক ২৭ বাংলাদেশি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:২৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭৭ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ

কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান পেয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ সময় চক্রটির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) এনফোর্সমেন্ট শাখা ৩ এপ্রিল রাত ১২টা ৪০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের আমপাং এলাকায় একটি দোকানঘরের ওপর নির্মিত বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ‘গ্যাং আশরাফ’ নামে পরিচিত একটি চক্রকে শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ। ওই বাসাটি অবৈধ অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা ও ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধান গেট ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ২৭ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়, যাদের অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা তিন দিন আগে একটি প্রতিবেশী দেশে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আনা হয়। একই সঙ্গে আরও তিনজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা চক্রটির সদস্য এবং ট্রানজিট ঘরের তদারককারী হিসেবে কাজ করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, চক্রটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সক্রিয়। তারা তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় এনে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করায় এবং পরে ক্লাং ভ্যালিতে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।

প্রতি অভিবাসীর কাছ থেকে প্রায় ৮ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করা হতো। এ পর্যন্ত চক্রটি প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

আটক অভিবাসীদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। তাদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

কুয়ালালামপুরে মানবপাচার চক্রের সন্ধান, আটক ২৭ বাংলাদেশি

আপডেট সময় ০৪:২৯:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ

কুয়ালালামপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের একটি মানবপাচার চক্রের সন্ধান পেয়েছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ সময় চক্রটির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২৭ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগের (জেআইএম) এনফোর্সমেন্ট শাখা ৩ এপ্রিল রাত ১২টা ৪০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের আমপাং এলাকায় একটি দোকানঘরের ওপর নির্মিত বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ‘গ্যাং আশরাফ’ নামে পরিচিত একটি চক্রকে শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষ। ওই বাসাটি অবৈধ অভিবাসীদের লুকিয়ে রাখা ও ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।

অভিযানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রধান গেট ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে ২৭ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়, যাদের অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা তিন দিন আগে একটি প্রতিবেশী দেশে প্রবেশ করেন এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আনা হয়। একই সঙ্গে আরও তিনজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা চক্রটির সদস্য এবং ট্রানজিট ঘরের তদারককারী হিসেবে কাজ করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে আরও জানা যায়, চক্রটি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সক্রিয়। তারা তৃতীয় দেশের মাধ্যমে বিদেশি নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় এনে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করায় এবং পরে ক্লাং ভ্যালিতে বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।

প্রতি অভিবাসীর কাছ থেকে প্রায় ৮ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত আদায় করা হতো। এ পর্যন্ত চক্রটি প্রায় ২৪ লাখ রিঙ্গিত হাতিয়ে নিয়েছে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

আটক অভিবাসীদের বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে। তাদের পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে এবং মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারবিরোধী আইন ২০০৭ অনুযায়ী তদন্ত চলছে।

মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।