ঢাকা ১২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

ভেজাল ও অবৈধ মদ উৎপাদনে এবং মজুতের গোপন কারখানার সন্ধান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টের আড়ালে ভেজাল ও অবৈধ মদ উৎপাদনেএবং মজুতের একটি গোপন কারখানার সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেগুনবাগিচা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস) মো. বশির আহমেদ।

অভিযান চালিয়ে ভেজাল মদ তৈরির পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো ও সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ, ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যাল উদ্ধার করে ডিএনসি। একইসঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- রিপন হিউবার্ট গোমেজ (৪৮), আবদুর রাজ্জাক (৪০), ডেনিস ডমিনিক পিরিছ (৩৭)।

মো. বশির আহমেদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল মদ সরবরাহের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও পার্শ্ববর্তী জোয়ার সাহারা এলাকায় দুটি ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি আবাসিক ভবনের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ভেজাল মদ তৈরির পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো ও সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ, ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিনজনকে আসামি করে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, উদ্ধার মদগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং এসব ভেজাল মদ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে সরবরাহের প্রস্তুতি ছিল।

অভিযানে ৭৯ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৬ ক্যান বিয়ার ও ভেজাল মদ তৈরির ১৩২ লিটার কেমিক্যাল জব্দ করা হয়।

ডিএনসি আরও জানায়, ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এসব ভেজাল মদ সেবনে তাৎক্ষণিক বিষক্রিয়া, লিভার ও কিডনি ক্ষতি, স্নায়বিক জটিলতা এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক হওয়া সত্ত্বেও এসব ভেজাল মদ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং কোথায় কোথায় ভেজাল মদ সরবরাহ করা হতো, সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

ভেজাল ও অবৈধ মদ উৎপাদনে এবং মজুতের গোপন কারখানার সন্ধান

আপডেট সময় ০৯:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

সিএনএমঃ

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি সাধারণ অ্যাপার্টমেন্টের আড়ালে ভেজাল ও অবৈধ মদ উৎপাদনেএবং মজুতের একটি গোপন কারখানার সন্ধান পেয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সেগুনবাগিচা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিচালক (অপারেশনস) মো. বশির আহমেদ।

অভিযান চালিয়ে ভেজাল মদ তৈরির পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো ও সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ, ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যাল উদ্ধার করে ডিএনসি। একইসঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- রিপন হিউবার্ট গোমেজ (৪৮), আবদুর রাজ্জাক (৪০), ডেনিস ডমিনিক পিরিছ (৩৭)।

মো. বশির আহমেদ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল মদ সরবরাহের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও পার্শ্ববর্তী জোয়ার সাহারা এলাকায় দুটি ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে একটি আবাসিক ভবনের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে ভেজাল মদ তৈরির পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামো ও সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মদ, ভেজাল মদ তৈরির কেমিক্যাল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী তিনজনকে আসামি করে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, উদ্ধার মদগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ এবং এসব ভেজাল মদ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে সরবরাহের প্রস্তুতি ছিল।

অভিযানে ৭৯ বোতল বিদেশি মদ, ১৬৬ ক্যান বিয়ার ও ভেজাল মদ তৈরির ১৩২ লিটার কেমিক্যাল জব্দ করা হয়।

ডিএনসি আরও জানায়, ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এসব ভেজাল মদ সেবনে তাৎক্ষণিক বিষক্রিয়া, লিভার ও কিডনি ক্ষতি, স্নায়বিক জটিলতা এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক বিপজ্জনক হওয়া সত্ত্বেও এসব ভেজাল মদ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না এবং কোথায় কোথায় ভেজাল মদ সরবরাহ করা হতো, সে বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।