ঢাকা ০১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

স্ত্রীকে ভারতে পাচারের পর হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

স্ত্রীকে ভারতে পাচারের পর হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক গোলাম কবির এক রায়ে এই আদেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি আব্দুল লতিফ লতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার বানিয়ারগাতি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। আর তার স্ত্রী সালমা খাতুন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোল্লাপাড়ার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে সালমার সঙ্গে কামরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সালমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন তিনি। একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বলা হলে কামরুল তার স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে দুইজনে চাকরি করে সংসার চালাবেন বলে জানান। ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল দুপুরে সালমাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কামরুল। এরপর থেকেই দুইজনের মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ করে দেওয়া হয়। চিন্তিত হয়ে সালমার পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান পাননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্ত্রীকে ভারতে পাচারের পর হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৯:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫

সিএনএমঃ

স্ত্রীকে ভারতে পাচারের পর হত্যার দায়ে কামরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন এবং মানব পাচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক গোলাম কবির এক রায়ে এই আদেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপি আব্দুল লতিফ লতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত কামরুল ইসলাম যশোর সদর উপজেলার বানিয়ারগাতি গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে। আর তার স্ত্রী সালমা খাতুন যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া মোল্লাপাড়ার শহিদুল ইসলামের মেয়ে।

আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে সালমার সঙ্গে কামরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সালমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন তিনি। একপর্যায়ে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বলা হলে কামরুল তার স্ত্রীকে ঢাকায় নিয়ে দুইজনে চাকরি করে সংসার চালাবেন বলে জানান। ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল দুপুরে সালমাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কামরুল। এরপর থেকেই দুইজনের মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ করে দেওয়া হয়। চিন্তিত হয়ে সালমার পরিবার বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু কোথাও তাদের সন্ধান পাননি।