ঢাকা ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

ফতুল্লায় ২৫ কেজি গাজাসহ আটক এক

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

ফতুল্লায় ২৫ কেজি গাজাসহ আটক এক

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

ফতুল্লা থানা পুলিশ দৌলতপুর (কুতুবপুর) থেকে নানা চেষ্টার পর ২৫ কেজি গাঁজাসহ ইসমাইল (৩৫ ) কে গ্রেফতার করেছে ।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোর রাতে ইসমালের দৌলতপুর এলাকার হালিম মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ফতুল্লা থানার ওসি নিকট ভোর রাতে খবর আসে। রাতে গাঁজা এসেছে ইসমাইলের বাসায়। দ্রুত এসআই শামীম মিয়াকে ফোর্সসহ পাঠানো হয় ইসমাইলের দৌলতপুর (কুতুবপুর) এলাকার হালিম মিয়ার ভাড়া বাসায়। ৩৫ দিনের দুধের শিশুর আতুর ঘর থেকে পাওয়া যায় বস্তা ভর্তি ২৫ কেজি গাঁজা।

পুলিশ জানিয়েছে, ফতুল্লা থানা পুলিশ তাঁকে ধরতে চেষ্টা করছে আগে থেকেই। কিন্তু চতুর ইসমাইলকে প্রমাণসহ আটক করা যাচ্ছিল না। তার পিছনে একাধিক গোয়েন্দা লাগানো হয়, কখন গাঁজাসহ তাঁকে পাওয়া যায়। ২০ এপ্রিল তাকে গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। পেশায় একজন গাড়ি চালক ছিল ইসমাইল। সায়েদাবাদ থেকে চট্টগ্রাম রুটে লোকাল বাস চালাতো সে। চৌদ্দগ্রাম থেকে মাদক ব্যবসায়ী হারুন(ছদ্মনাম) মাঝে মাঝেই গাঁজাসহ তার গাড়িতে অধিক ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতো। সেখান থেকেই পরিচয়। বাসে মাঝেমাঝেই কথা হতো। হারুন সামান্য পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করে অনেক টাকার মালিক হয়েছে। “জীবনে বড় কিছু করতে হলে রিস্ক নিতে হয়” এ কথা জেনেছিল হারুনের নিকট থেকে। সেই একটি বাক্য খুব মনে ধরেছিল ইসমাইলের। এরপর সুযোগের পালা। সায়েদাবাদ-চট্টগ্রাম গাড়ি চালিয়ে এ ব্যবসা করা যাবেনা। তাই বাস চালানোর চাকুরিটা ছেড়ে দেয় ইসমাইল। কিছু জমানো টাকা এবং ধার-দেনা করে একটি সিএনজি বেবিট্যাক্সি কিনে ইসমাইল। শুরুটা এখান থেকেই। পুঁজি তেমন নেই। তাই প্রথমে মাত্র দুই কেজি গাঁজা এনে শুরু করেন ব্যবসা। লাভ চারগুন। জমে ওঠে নতুন ব্যবসা। এরপর ব্যবসার পরিধি বাড়ে। কিন্তু এমন লাভজনক ব্যবসায় যত মূলধন তত লাভ। নিজেকে সংবরণ করতে পারেনা ইসমাইল। এবার মূলধন বাড়াতে বিক্রি করে দেয় সিএনজি বেবিট্যাক্সিটি। বড় চালানে এবার আনতে হবে মাল। হারুনকে ফোন দিয়ে পাঠিয়ে দেয় আগাম টাকা। হারুন ২৫ কেজি গাাঁজা এনে পৌঁছে দেয় ইসমাইলকে। আর পুলিশের কাছে পৌঁছে যায় সে খবর।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

ফতুল্লায় ২৫ কেজি গাজাসহ আটক এক

আপডেট সময় ০১:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

ফতুল্লা থানা পুলিশ দৌলতপুর (কুতুবপুর) থেকে নানা চেষ্টার পর ২৫ কেজি গাঁজাসহ ইসমাইল (৩৫ ) কে গ্রেফতার করেছে ।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোর রাতে ইসমালের দৌলতপুর এলাকার হালিম মিয়ার ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ফতুল্লা থানার ওসি নিকট ভোর রাতে খবর আসে। রাতে গাঁজা এসেছে ইসমাইলের বাসায়। দ্রুত এসআই শামীম মিয়াকে ফোর্সসহ পাঠানো হয় ইসমাইলের দৌলতপুর (কুতুবপুর) এলাকার হালিম মিয়ার ভাড়া বাসায়। ৩৫ দিনের দুধের শিশুর আতুর ঘর থেকে পাওয়া যায় বস্তা ভর্তি ২৫ কেজি গাঁজা।

পুলিশ জানিয়েছে, ফতুল্লা থানা পুলিশ তাঁকে ধরতে চেষ্টা করছে আগে থেকেই। কিন্তু চতুর ইসমাইলকে প্রমাণসহ আটক করা যাচ্ছিল না। তার পিছনে একাধিক গোয়েন্দা লাগানো হয়, কখন গাঁজাসহ তাঁকে পাওয়া যায়। ২০ এপ্রিল তাকে গাঁজাসহ গ্রেফতার করা হয়। পেশায় একজন গাড়ি চালক ছিল ইসমাইল। সায়েদাবাদ থেকে চট্টগ্রাম রুটে লোকাল বাস চালাতো সে। চৌদ্দগ্রাম থেকে মাদক ব্যবসায়ী হারুন(ছদ্মনাম) মাঝে মাঝেই গাঁজাসহ তার গাড়িতে অধিক ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতো। সেখান থেকেই পরিচয়। বাসে মাঝেমাঝেই কথা হতো। হারুন সামান্য পুঁজি দিয়ে ব্যবসা শুরু করে অনেক টাকার মালিক হয়েছে। “জীবনে বড় কিছু করতে হলে রিস্ক নিতে হয়” এ কথা জেনেছিল হারুনের নিকট থেকে। সেই একটি বাক্য খুব মনে ধরেছিল ইসমাইলের। এরপর সুযোগের পালা। সায়েদাবাদ-চট্টগ্রাম গাড়ি চালিয়ে এ ব্যবসা করা যাবেনা। তাই বাস চালানোর চাকুরিটা ছেড়ে দেয় ইসমাইল। কিছু জমানো টাকা এবং ধার-দেনা করে একটি সিএনজি বেবিট্যাক্সি কিনে ইসমাইল। শুরুটা এখান থেকেই। পুঁজি তেমন নেই। তাই প্রথমে মাত্র দুই কেজি গাঁজা এনে শুরু করেন ব্যবসা। লাভ চারগুন। জমে ওঠে নতুন ব্যবসা। এরপর ব্যবসার পরিধি বাড়ে। কিন্তু এমন লাভজনক ব্যবসায় যত মূলধন তত লাভ। নিজেকে সংবরণ করতে পারেনা ইসমাইল। এবার মূলধন বাড়াতে বিক্রি করে দেয় সিএনজি বেবিট্যাক্সিটি। বড় চালানে এবার আনতে হবে মাল। হারুনকে ফোন দিয়ে পাঠিয়ে দেয় আগাম টাকা। হারুন ২৫ কেজি গাাঁজা এনে পৌঁছে দেয় ইসমাইলকে। আর পুলিশের কাছে পৌঁছে যায় সে খবর।