রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

গণভোটে ‘না’ বলুন — কারণ ‘হ্যাঁ’ মানে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমকামী এজেন্ডার স্বীকৃতি

  • আপডেট সময় বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৭.১৫ পিএম
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

গণভোটে ‘না’ বলুন — কারণ ‘হ্যাঁ’ মানে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমকামী এজেন্ডার স্বীকৃতি

সিএনএম ডেস্কঃ

বাংলাদেশের সামনে আজ একটি নীরব কিন্তু গভীর সিদ্ধান্ত দাঁড়িয়ে আছে—
জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারা, যেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশকে Open Government Partnership (OGP)–এর পক্ষভুক্ত হতে হবে।

শুনতে এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি সাধারণ উদ্যোগ মনে হতে পারে।
কিন্তু OGP–এর অফিসিয়াল নীতিমালা Open Gov Guide গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়—
এটি কেবল শাসনব্যবস্থা নয়, বরং রাষ্ট্রীয়ভাবে সামাজিক ও নৈতিক মানদণ্ড পুনর্গঠনের একটি কাঠামো।

এবং এখানেই রয়েছে জাতির জন্য সবচেয়ে বড় বিপদ।
দলিল: Open Gov Guide কী বলছে?
OGP–এর “Open Gov Guide”–এর একটি অধ্যায় হলো—
Gender and Inclusion
এই অধ্যায়ের অধীনে রয়েছে:
Gender-Based Violence
Open Gender Data
এই অংশগুলোর ভেতরে রাষ্ট্রকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, সেখানে স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—
Sexual orientation
Gender identity
LGBTQ inclusion
Non-binary identities

এই শব্দগুলো কেবল আলোচনার জন্য নয়—
এগুলোকে রাষ্ট্রীয় নীতির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি ও বাস্তবায়নের কাঠামো হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়েছে।
অর্থাৎ—

OGP–এর সদস্য হওয়া মানে, এই সামাজিক এজেন্ডাকে ‘গভর্নেন্স স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে গ্রহণের পথ খুলে দেওয়া।
এটা কেন বাংলাদেশের জন্য অগ্রহণযোগ্য?
বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। আমাদের সংবিধান ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে।
কিন্তু যে আচরণকে ইসলাম ফাহিশা ও সীমালঙ্ঘন বলে চিহ্নিত করেছে,
তা যদি আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের শর্ত হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়—
তবে সেটি কেবল নীতিগত নয়, আকীদা ও জাতিগত পরিচয়ের উপর সরাসরি আঘাত।

 

পবিত্র কুরআন বলে:
“তোমরা কি সেই অশ্লীলতার কাছে যাও, যা তোমাদের পূর্বে কোনো জাতি করেনি?”
(সূরা আল-আরাফ: ৮০)

রাষ্ট্র যদি এমন কাঠামোর অংশ হয়, যেখানে এই বিষয়গুলোকে “অধিকার” ও “মানদণ্ড” বলা হয়—
তবে তা জনগণের বিশ্বাসের সঙ্গে রাষ্ট্রের সংঘর্ষ তৈরি করবে।

আজ গাইডলাইন, কাল আইন
ইতিহাস বলে—
আজ যেটা “নীতি নির্দেশিকা”, কাল সেটাই আইন, পাঠ্যক্রম, সরকারি কর্মসূচি ও বাজেট হয়ে যায়।
যদি OGP–এর কাঠামো গ্রহণ করা হয়, তবে ভবিষ্যতে বলা হবে—
“এটি আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা।”
তখন আর পিছু হটার সুযোগ থাকবে না।
গণভোটই একমাত্র ন্যায্য পথ
এটি কোনো দলীয় বা কূটনৈতিক বিষয় নয়—
এটি জাতির বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রশ্ন।
তাই এই সিদ্ধান্ত কয়েকজন আমলা বা বিদেশি অংশীদারের নয়—
এটি জনগণের।
স্পষ্ট আহ্বান
গণভোটে ‘না’ বলুন।
কারণ—
হ্যাঁ’ মানে— রাষ্ট্রীয়ভাবে সমকামী এজেন্ডার স্বীকৃতির দরজা খুলে দেওয়া।
আমরা প্রশাসনিক স্বচ্ছতা চাই।কিন্তু মূল্যবোধ বিসর্জন দিয়ে নয়। রাষ্ট্র উন্নত হোক—কিন্তু নিজের আত্মা হারিয়ে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com