রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

মিরপুরে নারী পাচারকারী গড ফাদার হারুন ও মারুফ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৮.৩৯ পিএম
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে
মিরপুরে নারী পাচারকারী গড ফাদার হারুন ও মারুফ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মামলা

মোঃ আলমগীর ( সেলিম)
“হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন “নামক মানবাধিকার সংস্থার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুলিশ হেডকোয়াটার্স সহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়ার পর অবশেষে মিরপুরে দারুস সালাম থানা এলাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেলের নামে ঐ মানবাধিকার সংগঠনটির ঢাকা জেলা পরিচালক মাকসুদা বেগম আবাসিক হোটেলের ভবন মালিক ও নারী ঘটিত ব্যবসায়ী, পাচারকারী হারুন ও মারুফ সিন্ডিকেটের একাধিক দালালের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল, ৯নং আদালত এ মামলার পিটিশন দায়ের করেছেন।

যাহার পিটিশন মামলা নং-১৪। ঐ মামলায় প্রায় অর্ধ শত মানব পাচারকারী দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হলেও মানব পাচার আদালতের বিচারক আদেশ পরে দিবেন বলে, দিন ধার্য করে দিয়েছেন।
তবে ইতিমধ্যে আবাসিক হোটেল গুলোতে দালালের মাধ্যমে নারীদের সংগ্রহ করে হোটেলগুলোর টর্চার সেলে একাধিক নারী বন্দি রয়েছেন বলে পিটিশন সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, রাজধানীর ডিএমপির মিরপুর বিভাগের দারুস সালাম থানা এলাকায় পুলিশের ছত্র ছায়ায় গড়ে ওঠেছে নারী বেচা-কেনার হাট। ওদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশু কিশোরী মেয়েরা প্রতিনিয়ত আবাসিক হোটেল নামের ঐ হাটগুলোতে পশুপাখির মতো নারীরা বেচা কেনা হচ্ছে।
প্রতি নিয়ত দারুস সালাম থানা এলাকার আবাসিক হোটেল নামীয় পতিতালয় গুলোতে পাচারকারীদের খপ্পরে পরে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু কিশোরী যুবতী নারীদের বিভিন্ন প্রলোভনে আবাসিক হোটেলগুলোতে এনে পাচারকারীদালালরা জবর দস্তি ভাবে সংগৃহীত নারীদের।
প্রথমে পাচারকারী দালালরা নানা কৌশলে হোটেলের অন্তরালে পতিতালয়ের হাটে রুমগুলোতে দালালরা নিজেরা মেয়েদের আটক করে ধর্ষণ করে পরবর্তীতে হোটেলের হল রুমগুলোতে সাজুগুজু করে বসিয়ে রেখে খদ্দেরের হাতে তুলে দেয়।
কোন নারী খদ্দেরের বেড পার্টনার হতে না চাইলে তাদের শারীরিক, মানসিক ও মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন পূর্বক দেহজীবী বানানো হয়। নির্যাতনের ফলে কেউ মারা গেলে তাদের আর হদিস পাওয়া যায় না।
মাঝে মধ্যে পত্র পত্রিকায় দেখা যায় বস্তাবন্দি নারীর লাশ ব্রিফকেইসে ভরা মরদেহ।ডোবা নালায় পরে থাকা নারীর পচনশীল লাশ। ময়লা পাগার এলাকায় অজ্ঞাতনামা তরুনীদের লাশ।
এ রকম অনেক নারী লাশ হয়েছেন আবাসিক হোটেলগুলোতে। হত্যাকারীরা নারীদের হত্যার পর সটকে পরে কখনো কেউ মাঝে মধ্যে ধরা পরলেও অনেক নারীর মৃত দেহ অজ্ঞাতনামা পরিচয়ই লাশের পরিচয় হয়।

২০১০ সালে গুলশান থানাধীন বনানী এলাকার রেল লাইন ঘেষা ঐ সময় লর্ডস-ইন আবাসিক হোটেলে সীমা নামের এক তরুনীর মৃত দেহের খবর পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক মানবাধিকার সংস্থা অনুসন্ধান শুরু করলে সীমার লাশ স্বর্ণ, রুপা, মনি নামে তৎকালীন আড়াই হাজার ইউনু আনসার উদ্দিনের ভাগনি দাবী করে স্বামী লাভলু লাশ নিয়ে সটকে পরেন।

মানবাধিকার সংস্থার তৎপরতা থাকায় সংস্থার মহা-সচিব মোঃ আলমগীর (সেলিম) সংবাদ সম্মেলনে দাবী জানান, লাশটিকে ভুয়া পরিচয়ে গায়েব করা হয়েছে। এর ২ দিন পর লাশটিকে ফেরত পাঠান তৎকালীন গুলশান থানায়। যাহা গণমাধ্যমে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়। “হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন” এর মানবাধিকার কর্মী নুরুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে তৎকালীন আদালতে মামলা দায়ের করেন কিন্তু আজও জানা যায় নি সীমার আসল পরিচয়।

তৎকালীন মহা-পুলিশ পরিদর্শক বরাবরে সংস্থার প্রতিবেদন সূত্রে সংগঠনের মহা-সচিব মোঃ আলমগীর সেলিম কে পুলিশ হেডকোয়াটার্সে ডাকেন। তৎকালীন এ আই জি ক্রাইম-৩ তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মোঃ শাহ আলম সাহেব সীমার হত্যার ঘটনা জানেন এবং পুলিশ প্রশাসন ঐ সময় তৎপর হন গুলশান এলাকা সহ প্রায় দেশের হোটেলেই অপকর্ম একে বারে কমে গিয়েছিল। সহজেই বর্তমানের মতো আবাসিক হোটেল গড়ে তোলেই হোটেলের অন্তরালে দালালরা সহজেই নারী ব্যবসা এবং হোটেলকে পতিতালয় গড়ে তুলতে সাহস পেত না। এরপর সীমা হত্যাকে কেন্দ্র করে দেশের মানব পাচার আইন প্রতিষ্ঠিত হয়। যাহা পুলিশ হেডকোয়ার্টাসের এক মিটিং এর আলোচনা হতে সংস্থার কর্মীগণ জানতে পারেন।

এছাড়া ২০১১ সালে মালিবাগ আবাসিক হোটেলে সুমি নামে এক নারীকে গার্মেন্টস এ কাজ দেওয়ার কথা বলে ঐ হোটেলে এনে গণধর্ষণ করে ২ দিন পর্যন্ত মিরাজ হোটেলের কক্ষে আটকে রাখেন। ৩ দিনের মাথায় মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা ঘটনা জানতে পেরে সুমিকে উদ্ধারে থানায় গিয়ে অভিযোগ দিলে পুলিশ উদ্ধার করে নাই। থানায় অভিযোগ দেওয়ার একদিন পর মানবাধিকার কর্মীরা জানতে পারেন সুমিকে হত্যার উদ্দেশ্যে ৪ তলা হতে ফেলে দেয়।
পাশের বাড়ির গেইটের সুলের উপর পরে তার বুক ছিড়ে চারটি সুল এফোড় ওফোড় হয়ে কাটা মুরগির মতো ছটফট করে সুল বৃদ্দ হয়ে গেইটের উপরই গার্মেন্টস কর্মী সুমি মরদেহ ঝোলে থাকতে দেখা যায়। আশে পাশের লোকজন এসে থানাকে ফোন করলে পুলিশ এসে সুমির মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। কিন্তু সুমির পরিবারকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে “হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন” নামক মানবাধিকার সংগঠনটি তৎকালীন রামপুরা থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন সহ নারী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে সুমির পরিবারকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে সহায়তা করেন।

বর্তমানে উক্ত সংগঠনের কর্মীগণ মিরপুর এলাকার দারুস সালাম থানাধীন আবাসিক হোটেল গুলোতে অনুসন্ধান করে হারুন ও মারুফ সিন্ডিকেটের চাঞ্চল্যকর তথ্য সংগ্রহ করে বিশাল নারী পাচারকারী হারুন ও মারুফ সিন্ডিকেটের তথ্য পান। ঐ তথ্য পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ আকারে পাঠানো হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়ঃ-
আইন বর্হিভুত নারী ঘটিত ব্যবসায়ী এবং পাঁচারকারী যারাঃ
মোঃ ইমরান, মোবাইল : ০১৭১১১০৫৭৯৮, ঈগল আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক, মোঃ নান্টু, মোবাইল : ০১৭১৮৯৫৭৩৮৭, ঈগল আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক, মোঃ মামুন, মোবাইল : ০১৭১১২২১৯১৯, ঈগল আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক, মোঃ আজাদ , মোঃ মারুফ, মোবাইলঃ ০১৯০৪৫৫৭৮৪৫, মোঃ ডিপজল, মোবাইলঃ ০১৯৪৩১৫৫২২৭ , মোঃ হারুন, মোঃ জজ মিয়া ।
ভিজিটিং কার্ড বিলি করে খদ্দের সংগ্রহ করে যারা তারাই নারী সংগ্রহকারী এরা হলোঃ
মুসা ভাই, ০১৮৭৪৬৫৬৮৩১, আপেল ভাই, ০১৬২৬৪৪৬৭০৬  হান্নান ভাই, ০১৭৫৭৪৩০১২৯ রাকিব ভাই, ০১৭১৯৫৮০৮৩০  রনি ভাই , ০১৭৮৮৮৩৬৯১৪, বিকাশ ভাই, ০১৩০২৯২৭৩৩৩, রানা ভাই, ০১৯৭৮০২৩৮২৫,  জীবন ভাই, ০১৬৪৩০৩৫৩০২ স¤্রাট ভাই, ০১৮৬৫৪৯৯৯০৮  একতা, ০১৬১৬১৬২১৩৩ হোটেল বাগদাদ, ০১৬৮১২৬৮৫৩৭ মুরাদ ভাই, ০১৩০৮৭১৩২৬৩, কনক ভাই, ০১৯১৪৪৫২৮৯০, টিটু ভাই, ০১৯১৭০২৩৮২১  শাকিল ভাই, ০১৬২৬১০৭২৪১, তন্ম ভাই, ০১৬২৩০২৬৭৯২  মাটি ভাই, ০১৮৯২০২০৫১৪, বাপ্পি ভাই, ০১৬২৩৬৩৪৭০৪, হোটেল গোল্ড স্টার, ০১৮৬৯৫১৯০১১, ০১৯৯৯৯৩৪০১১  , তোফাজ্জল, ০১৯৫৩৫৬০৪৬১, মোঃ সৈকত, ০১৮৮৬৭২৬১৮৩,

পাঁচারকারীদের খপ্পরে পরে যে সকল ভুক্তভোগী নারী দালালদের জিম্মি দশায় আটক রয়েছে।
ক) শ্রী প্রলয় অপু, (২২), পিতা-শ্রী লমিনি চন্দ্র, গ্রাম-শ্রীমঙ্গল, জেলা-মৌলভীবাজার। খ) লিপি আক্তার, (২৪), পিতা-দুলাল মিয়া, সাং-শেরপুর জেলা   গ) সাদিয়া আক্তার (১৭), পিতা-আবুল সোবাহান  ঘ) রিজিয়া খাতুন (২২), পিতা-মৃত হাসান উদ্দিন  ঙ) মেহনাজ তাজিন মিনা (২৬), পিতা-আনোয়ারুল আজিম চ) রুজিনা (১৪) ছ) রুপা (১৩)  জ) শাবানা (১৪)
ঝ) খোদেজা (১৫) ঞ) সাথী (১৬)  ট) যে সকল আটক নারীদের সাথে কথা বলে তাদের নাম ঠিকানা জানা যায় নি এ রকম শিশু-কিশোরী মেয়ে হোটেল গুলোতে আটক রয়েছে প্রায় অর্ধ-শতাধিক। যাদের বয়স ১৩-১৭ এর মধ্যে। তাদের সাথে সব সময় পাহারায় লোক থাকে। দালালদের চিহ্নিত খদ্দের ছাড়া কারো সাথে কথা বলতে দেন না।
ঘটনাস্থলের নাম ও ঠিকানা
১। ঈগল আবাসিক হোটেল, লালকুঠি, মিরপুর মাজার রোড।  ২। কর্ণফুলী আবাসিক হোটেল, লালকুঠি, মিরপুর মাজার রোড।
। হোটেল প্রজাপতি, মিরপুর মাজারের উল্টো পাশে। ৪। বাগদাদ আবাসিক হোটেল, মিরপুর মাজার সংলগ্ন কাচা বাজার এর উপরে। ৫। গার্ডেন ভিউ আবাসিক হোটেল, মিরপুর ১নং মোড়। ৬। হোয়াইট ব্রিজ আবাসিক হোটেল, ৭। হোটেল নিউ লন্ডন
ঘটনাস্থল থানার নাম
দারুস সালাম থানা, উপ-পুলিশ কমিশনার মিরপুর বিভাগ
উক্ত হোটেলে কারা বোর্ডার অসামাজিক কর্মকান্ড চলা হোটেলগুলোতে পুলিশের আনাগোনা কম থাকায়সেখানে চলা অপরাধ কর্ম স্থানীয় থানা পুলিশের ঝামেলা মুক্ত থাকায় নানাবিধ অপরাধীরা ঐ হোটেলগুলো নিরাপদ মনে করেন। সেখানে অপরাধীরা আস্তানা বানায়। বিভিন্ন থানার মামলার দাগী দোষী ফেরারি আসামীরা হোটেলগুলোতে বোর্ডার সেজে নিয়মিত বসবাস করে। কখনো পুলিশের কোন বিশেষ অভিযানে কেউ গ্রেফতার হলে তাদেরকে হোটেল স্টাফ বা বোর্ডার দেখিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয়।

বেশিভাগ ক্ষেত্রেই যারা দালাল ও নারী পাচারকারী তারাই বোর্ডার।

(১) বিভিন্ন মেয়েদের প্রথমে পাচারকারী দালালরা নারীদের সাথে প্রেম করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে হোটেলগুলোতে এনে কৌশলগত ভাবে বোর্ডার সেজে রুম নেয়। আগত মেয়েরা বুঝতেই পারে না এই হোটেলেই তার সর্বনাশ হবে। এক পর্যায়ে প্রেমিক বেশে দালালরা নিজেরা তাদের বিয়ে না করে বিয়ে করার ছলনায় মেয়েদের সাথে দৈহিক মেলামেশা করে এরপর হোটেল ভাড়াটিয়া মালিকদের বন্ধু বান্ধব সাজিয়ে ঐ সকল মেয়েদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গণধর্ষণ করায় এরপর হোটেলে আটক করিয়া বহিরাগত বিভিন্ন পুরুষ দিয়ে ধর্ষণ করায় এক পর্যায় দেহজীবী বানিয়ে হোটেলগুলোর রুমগুলোকে পতিতালয় বানিয়ে সংগ্রহ করা মেয়েদের ঐ হোটেলের হল রুমে বসিয়ে রেখে বহিরাগত পুরুষ খদ্দের দ্বারা দেহ ব্যবসা করায়। দালালরা খদ্দের জোগাতে রাজধানী সহ বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় ভিজিটিং কার্ড বিলি করে। পথে ঘাটে চোখ পরলেই দেখা যায় বিভিন্ন হোটেলের ভিজিটিং কার্ড। ঐ কার্ডে দালালদের মোবাইল নাম্বার সংযুক্ত করে দিয়ে খদ্দেরদের আহ্বান করার লক্ষ্যে ঐ সকল ভিজিটিং কার্ড  বিলি করে। হোটেলে আটক মেয়েরা কেউ পালানোর চেষ্টা করলে দালালদের নিয়োজিত নারী দালালও রয়েছে। যারা নিজেরা দেহ ব্যবসা করে এবং হোটেলে আগত নবাগত মেয়েদের খদ্দেরের মাঝে বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত করে। আর যাতে নবাগত মেয়েরা পালাতে না পারে সে বিষয়ে পাহারাদার হিসেবে কাজ করে। ঐ সকল পাহারাদার মেয়েরা পাচারকারী দালালদের অনেকেরই বিয়ে করা স্ত্রী। টাকা কামানোর লালসায় পাচারকাজে ব্যস্ত হয়ে পরেন।
যেভাবে নারী সংগ্রহ করে পাঁচারকারীরা
অ) এক শ্রেণির দালালরা শুধু প্রেম করে মেয়েদের সংগ্রহ করে হোটেলে এনে হোটেল মালিকদের কাছে বিক্রি করে দেয়।
ই) দ্বিতীয় শ্রেনির দালালরা বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালতে কাজ দেওয়ার কথা বলে মেয়েদের এনে হোটেলগুলোতে রেখে যায়।
ঈ) একাধিক মেয়েকে তাদের নির্ধারিত ঘটকের মাধ্যমে বিয়ে করে কিছুদিন সংসার করে এরপর কৌশলে হোটেলে এনে দেহজীবী বানায়।
উ) চতুর্থ শ্রেনির দালালরা মেয়েদের ইউটিউবার বা টেলিভিশন বা সিনেমার পর্দায় দেখানো আকর্ষণীয় নাটকের নায়িকা বা সাইট নায়িকা বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে মেয়েদের সংগ্রহ করিয়া কৌশলে হোটেলগুলোতে এনে তাদের দেহজীবী বানায়।
ঊ) পঞ্চম শ্রেনির দালালরা সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে হোটেল গুলোতে এনে নানা ধরনের শারীরিক নির্যাতনের ফলে তাদের দেহজীবী বানায়।
ঋ) ষষ্ঠ শ্রেনির দালালরা হোটেলে মেয়েদের ক্লিনার সাজাইয়া রুমে রুমে বসাইয়া রাখিয়া দেহ ব্যবসা করায়। কিছু কিছু খদ্দেরদের বুঝায় ঐ সকল মেয়েরা ক্লিনারের চাকরী করে দেহজীবী নয়। তাই চড়া দাম হেকে তাদের পুরুষ খদ্দেরদের কাছে দেহ বিক্রি করে।
অনুসন্ধানকালে মানবাধিকার কর্মীরা যেভাবে বাধা বিপত্তির শিকার হয়।হোটেলগুলোতে পৃথক ভাবে অনুসন্ধানকালে আমরা মানবাধিকার কর্মী এক পর্যায়ে আমাদের পরিচয় পাওয়ার আমাদের নানা ধরনের হুমকি দিয়ে হোটেলগুলোর এলাকা হতে সরে যেতে বলে।
আমরা পুলিশকে খবর দিব বললে পাচারকারী দালালরা বলে, পুলিশকে খবর দিয়ে কোন লাভ নেই। আমরা হোটেলগুলোতে যা ইনকাম করি তার সিংহভাগ স্থানীয় দারুস সালাম থানা জোনের এসি, ডিসিকে দিয়ে থাকি। পুলিশ আমাদের কেনা। এমনি ভাবে কিছুক্ষণ পর এলাকায় টল ডিউটিরত একটি পুলিশ ভ্যান দেখে সেখানে বসে থাকা এক দায়িত্বরত অফিসারকে আবাসিক হোটেল গুলোতে বিভিন্ন মেয়েরা মানবেতর জীবন যাপন করছে এবং তারা দালালদের খপ্পরে পরে আটকা পড়েছে। তাদের শারীরিক, মানসিক নির্যাতন পূর্বক তাদের গণ ধর্ষণ করা হচ্ছে। ঐ সকল মেয়েদের যে কোন সময় দেশ বিদেশের অন্যান্য পতিতালয় পাচার হয়ে যেতে পারে। তাদের উদ্ধারের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাকে অনুরোধ জানালে তিনি আমাদের বলে আপনারা আটক হওয়া মেয়েদের গার্জিয়ান নিয়া আসেন তারা যদি থানায় এসে অভিযোগ করে তাহলে আমি বিষয়টি দেখতে পারব। আপনাদের কথায় আবাসিক হোটেলে ওঠা যাবে না তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আমার চাকরীর ১২টা বাজিয়ে দিবে। পুলিশের গড়িমসি দেখে ঘটনাস্থল হতে আমরা অনুসন্ধান শেষে চলে আসি।
স্থানীয় দারুস সালাম থানা পুলিশের ভূমিকা
স্থানীয় দারুস সালাম থানা এলাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে চলা অপকর্মের বিরুদ্ধে একাধিকবার পৃথকভাবে অভিযোগ করে তার কোন প্রতিকার পাওয়া যায় নাই। দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চান না হোটেলে চলা নারী, মাদক ব্যবসা, অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধ হউক বা হোটেলে নানাবিধ অপরাধীদের আস্তানা চিরতরে নির্মূল হউক। বিভিন্ন মাদক কারবারী, নারী পাচারকারী, ছিনতাইকারী, মলম পার্টি সহ নানা বিধ অপরাধীরা ঐ হোটেলে নিরাপদ আস্তানা বানিয়ে তাদের সুবিধামতো নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ড করে থাকে। তাদেরকে ফোন দিলে উল্টো খবর চলে আসে হোটেল নারী ব্যবসায়ীদের কাছে। এছাড়া হোটেল অপরাধ কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে অভিযোগকারীর আর হয়রানির শেষ থাকে না। অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া তো দূরের কথা এলাকাবাসীর অনেকেই আমাদের কাছে বলেছেন মাঝে মধ্যে পুলিশ লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে কিছু খদ্দের ধরে নিয়ে যায়। নারী পাচারের সাথে জড়িত ভবন মালিক বা হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, স্টাপ পরিচয়ে দালাল চক্রকে কখনোই পুলিশ গ্রেফতার দেখায় না। এভাবেই চলছে মিরপুর ১নং গোলচত্ত্বর আশেপাশে ও মাজার রোডে দারুস সালাম থানা এলাকার হোটেলগুলো।

যে ভাবে অনুসন্ধান করা হয়
গত ২৬/১১/২০২৫ইং তারিখ সকাল ১০ ঘটিকার সময় আমি মোঃ আলমগীর  (সেলিম) অপরাধ অনুসন্ধানকারী ও আমার সহকারী সৈয়দ শাকির হামিদ  সহ মিরপুর ১নং মোড়ে নেমে রাস্তায় পড়ে থাকা বেশি কিছু ভিজিটিং কার্ড সংগ্রহ করি। ভিজিটিং কার্ডে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের নাম ও সেখানে নারী পাচারকারী দালালদের নাম ও মোবাইল নাম্বার দেখতে পাই। ঐ নাম্বারে ফোন করে এক পর্যায় পৃথকভাবে তাদের সাথে আবাসিক হোটেল ঈগল, কর্ণফুলী, প্রজাপতি, বাগদাদ, গার্ডেন ভিউ, হোয়াইট ব্রিজ, নিউ লন্ডন-এ যাই। আলাদা আলাদা ভাবে হোটেলগুলোতে আমরা প্রবেশ করি এবং হোটেল ঘুরে ঘুরে খদ্দের বেশে মেয়েদের বাছাই করি। বাছাই পর্বের এক পর্যায় নানা কৌশলে মেয়েদের সাথে কথা বলি। সেখানকার নবাগত মেয়েরা জানায়, ঐ সকল মেয়েদের গার্মেন্টস বাসা-বাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় কাজ দেওয়ার প্রলোভনে হোটেল দালালরা তাদের সংগ্রহ করিয়া আনিয়া একেক দিন একই নারী পাচারকারী চক্রের একেক হোটেলে নিয়ে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করায়। তারা এখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। তাদের নির্যাতনের কথা তুলে বলে, তারা কোন পুরুষের সাথে খারাপ কাজ করতে না চাইলে দালাল চক্র তাদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করে যেমন-বিদ্যুতের শক দেওয়া হয়, এমনকি নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করানো সহ নানা কৌশলের নির্যাতনের ফলে তারা বিভিন্ন পুরুষদের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করতে বাধ্য হয়। তাদের ভয় দেখানো হয়ে থাকে। কোন মেয়ে যদি খদ্দেরের সাথে তাদের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনা প্রকাশ করে তাহলে তাদের দিয়ে করানো গোপন ক্যামেরায় করে রাখা ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটের যোগযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর বেশি বাড়াবাড়ি করলে তাদের নির্ধারিত দেশ বিদেশের বিভিন্ন পতিতালয়ে তাদের অন্ন সিন্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হবে। নানাবিধ ভয় দেখিয়ে ঐ সকল মেয়েদের দিনের পর দিন হোটেলগুলোতে আটক রেখে গণধর্ষণ পূর্বক অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হচ্ছে।
এ রকম বেশ কিছু মেয়ের সাথে কথা বলি। তারা একই ধরনের নির্যাতনের বর্ণনা বলে। অনেকেই হাউ মাউ করে কেঁদে ওঠে তাদের পরিবারের কাছে ফেরত যেতে চায়। এভাবে উল্লেখিত হোটেলগুলোতে পৃথকভাবে অনুসন্ধান করে প্রায় অর্ধশত মেয়ে আটকের সন্ধান পাই। তবে কারোই পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা জানতে পারিনি।
অনুসন্ধানকালে এলাকাবাসীর কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের নাম গোপন রাখা স্বত্ত্বে আমাদের বলেন, হোটেলে অপকর্ম চলে ভবন মালিক ও থানার অফিসার ইনচার্জ, ওসি তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও জোনের এসির নির্দেশে ও সহযোগীতায়। স্থানীয় কপুলিশ প্রশাসন সহযোগীতা না করলে এ হোটেলগুলোতে মেয়ে মানুষ আটকে রাখা তো দূরের কথা কোন ধরনের অপকর্ম হতো না। এক পর্যায় নারী পাচারকারী হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক আজাদের নেতৃত্বে কয়েকজন লোক এসে আমাদের চারদিক ঘিরে ফেলে আমাদের বলে, আমরা তাদের তথ্য সংগ্রহে যে ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করেছি ঐ ক্যামেরাগুলো তাদেরকে দিতে আমরা দিতে না চাইলে তারা জোর পূর্বক আমাদের সাথে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, একটি সনি ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলে।  যাহার পূর্বের মূল্য প্রায় ১,০০,০০০/-(এক লক্ষ) টাকা। এরপর বলে, আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করেন যেখানে খুশি সেখানে অভিযোগ দেন দেখবেন আমাদের কিছুই হবে না বরং আপনারাই ঝামেলায় পরবেন। দারুস সালাম ৩ ওসি সহ এসি ও মিরপুর বিভাগের ডিসি আমাদের কেনা। প্রতি মাসেই আমাদের হোটেলগুলো হতে মোটা অংকের মাসোহারা দিয়ে থাকি।
অনুসন্ধান শেষে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে যে সুপারিশ করেন
ঈগল, কর্ণফুলী, প্রজাপতি, বাগদাদ, গার্ডেন ভিউ, হোয়াইট ব্রিজ, নিউ লন্ডন আবাসিক হোটেলের নারী ঘটিত অপরাধ কর্ম বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। থানা এলাকায় খদ্দের সংগ্রহকারী দালালদের প্রকাশ্যে পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া। নারী পাচারকারীদের জিম্মি দশায় থাকা নারীদের উপর নির্যাতনকারীদের চিহ্নিত করে তাদের উদ্ধার পূর্বক পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ঈগল, কর্ণফুলী, প্রজাপতি, বাগদাদ, গার্ডেন ভিউ, হোয়াইট ব্রিজ, নিউ লন্ডন আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক, বাড়ির মালিক ও কেয়ার টেকার সহ সেখানে অপরাধ কর্মে প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। ঈগল, কর্ণফুলী, প্রজাপতি, বাগদাদ, গার্ডেন ভিউ, হোয়াইট ব্রিজ, নিউ লন্ডন, প্রাইম, আল-মামুন, আবাসিক হোটেলের ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের পর ঐ হোটেলে লাইসেন্স বিরোধী কোন কার্যক্রম হয় কিনা তাহা দেখভাল কারী সিটি কর্পোরেশন জোনের ইন্সেপেক্টর এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। মানব পাচার আইন বিধি মোতাবেক বাড়ির মালিক, আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
সংস্থা পরবর্তী যে ধরনের পদক্ষেপ নিবেন তাও জানিয়ে দিয়েছেন সংস্থার পক্ষে দেশব্যাপী চিহ্নিত নারী পাচারকারীদের আদালতের দারস্থ্য করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। অপরাধীদের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অসাধু কর্মকর্তাদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করা। ঈগল, কর্ণফুলী, প্রজাপতি, বাগদাদ, গার্ডেন ভিউ, হোয়াইট ব্রিজ, নিউ লন্ডন আবাসিক হোটেলের সহ দেশব্যাপী যে সকল আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা সহ পতিতালয়ে আটক ও জিম্মি থাকা নারীদের পরিচয় চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করে তাদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা। নারীদের কর্মসংস্থানের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় জীবিকা নির্বাহে কর্ম ব্যবস্থা গ্রহণ করা। পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলি করে খদ্দের সংগ্রহকারী দালালদের চিহ্নিত করে যাবতীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা। সারাদেশ ব্যাপী নারী পাচারকারী, দালাল, অর্থের যোগানদাতা ও আশ্রয়, প্রশ্রয়দাতাসহ, তাদের সহায়তাকারীদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালতের দারস্থ্য হওয়া।

মানবাধিকার সংস্থাটি গণমাধ্যমকে জানান, ডিএমপি সহ দেশের প্রায় আবাসিক হোটেলের অর্ন্তরালে নারী পাচারকারীরা পতিতালয় খুলে বসেছে। এতে সুনামধন্য ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। অন্যদিকে বেশির ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষ স্থানীয় আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পুলিশ সদস্যদের দায়ী করছে। হোটেল সম্মন্ধে বিভিন্ন এলাকার পথচারীদের জিজ্ঞাসা করলেই তারা বলে থাকেন আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এ পেশার অপরাধীদের সহযোগীতা করেন। যদি সৎ মন মানসিকতা নিয়ে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে আইন শৃঙ্খলার উন্নয়নে ও অপরাধ নির্মুল করে জনসাধারণ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করত তাহলে যে কোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড মুহুর্তেই বন্ধ হয়ে যেত।

স্থানীয় অসাধু থানা পুলিশের অপরাধীদের সাথে গোপন সখ্যতা রাখার কারণেই দিন দিন অপরাধ বেড়েই চলেছে। আবার এ সকল আবাসিক হোটেলের অপরাধ কর্মকান্ডের বিষয় কেউ থানাকে ফোন করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বলে থানায় এসে অভিযোগ দেন নয়ত আবাসিক হোটেলগুলোতে যে সকল নারীরা আটক আছেন তাদের কোন অভিভাবককে পাঠান পরে আমরা ব্যবস্থা নেব। ৯৯৯ ফোন দিয়ে স্থানীয় থানা পুলিশকে নানা-বিধ অপরাধের কথা জানানো হলে তারা সহজেই কোন ব্যবস্থা নেন না। এর ফলে অপরাধের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। দারুস সালাম থানা এলাকার আবাসিক হোটেলগুলোতে চলা অপরাধ কর্মকান্ডের বিষয়ে এ মানবাধিকার সংস্থার দায়েরকৃত অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য দারুস সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ, ইন্সেপেক্টর তদন্ত ও ইন্সেপেক্টর অপারেশনকে ফোনে না পাওয়ায় এ রিপোর্টে সংক্রান্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায় নি।

ইতিমধ্যে “ক্রাইম নিউজ মিডিয়া”র অনুসন্ধানে জানা গেছে দারুস সালামের আবাসিক হোটেল গুলোতে থানা পুলিশের গোপন সখ্যতা থাকায় হারুন সিন্ডিকেটের নারী ব্যবসা জমে উঠেছে। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন অপরাধীদের ঐ হোটেলগুলোতে জমজমাট আশ্রয়স্থল হয়েছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা না থাকায় নির্বাচন মুখী পক্ষ বিপক্ষ বিভিন্ন অপরাধীরা আগ্নেয় অস্ত্র সহ এমন কি বোমা বানানোর সরঞ্জাম নিয়ে হোটেলগুলোতে অপরাধীদের আগমন দেখা গেছে। হারুনদের বড় ভাই ডিএমপির ৩৭নং ওয়ার্ডের যুবলীগ নেতা জাবেল হোসেন পাপনের সাথে কথা বলে জানা যায় বৈষম্য বিরোধী আওয়ামী নেতারা একাধিক মামলার আসামী হয়ে পলাতক থাকায় তারা নিরাপদ আস্তানার খোজে বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও জামায়াত শিবির এর ব্যানারে ঠাই নিচ্ছে। এছাড়া যে সকল আবাসিক হোটেলে পতিতা ও মাদক ব্যবসা চলে ঐ সকল হোটেলগুলো অপরাধীদের কাছে নিরাপদ হওয়ায় তারা হোটেলগুলোতে আস্তানা বানাচ্ছে। তবে ডিএমপিতে প্রায় ৫০০ ধিক আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা, মাদক ব্যবসা সহ নানাবিধ অপরাধ কর্মকান্ড হয় পুলিশের ছত্র ছায়ায় বিভিন্ন মহল পুলিশ কমিশনার সহ আইজিপি দপ্তরেও একাধিক অভিযোগ করলেও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পুলিশ সদস্যরা হোটেল গুলোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ বিষয়ে “হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশনে”র চেয়ারম্যান ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই দারুস সালাম থানা এলাকা সহ ডিএমপির আবাসিক হোটেলগুলোতে অপকর্ম বন্ধের বিষয়ে তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com