নির্বাচণ নিয়ে আমার কিছু কথা:
আমি এ দেশের সাধারণ নাগরিক। আমার আছে ভোট দেয়ার অধিকার। কিন্ত ভোটকেন্দ্রে যেতে ভয় আর আতংক। আর মনের মধ্যে দ্বিধা
কাকে আমার মূলবান ভোটটি প্রদান করিব। আমার দৃষ্টিতে বেশির ভাগ প্রার্থি করাপশনে জড়-জড়িত। কে বা কারা ভাল বুঝতে পারছিনা।
দেশে বৃহত্তর দল দেখছি ২-৩টি। নামি বলছি বিএনপি, জামাতইসলামি আর এনসিপি। ওনারা যেভাবে একে অপরকে কাঁদা ছুড়াছুরি করছে।
তাতে বুঝা হয়েছে কার কি গুন আর বেগুন।
তবে এনসিপি কোন দলের সাহারা নেয়া ঠিক হয়নি। জুলাই অভ্যূথানকে কলিংকিত করেছে আমার যতটুকু ধারনা।
এককভাবে দলটি আসলে ভালই লাগত। কি লাভ হল জুলাই অভ্যূখান ঘটিয়ে। যে বা যারা গাছ রোপন করল তারাতো আর ফল ভোগ করতে পারছে না। ঐ একই ঘটনার পুনরাবিত্তি। নতুনত্ব কি হল। সংস্কার কি আসলে হল? যারা জেলে ছিল তারা বাহির হল আর যারা বাহিরে ছিল তারা জেলেগেল। এমনটি কেন হয়? রাজনৈতি করলে প্রতিপক্ষের রোষানলে পরতে হয়।
জীবন যেমন আল্লাহ চিরস্থায়ি করেন নাই। ক্ষমতা কারও চিরস্থায়ি নয়। জবাবদীহি করতে হয়। একটি দেশ চালাতে হলে অনেক সময় অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে শিখতে হয় জানতে হয়।
গনতন্ত্রের দেশ জনগণ বিচার করে, কে ভাল কে খারাপ। কোন দলকে বঞ্চিত করে নির্বাচণ করা আমার মতে ঠিক নয়। হোক সে বিরধি দল। আপনি ক্ষমতায় আছেন তাই ক্ষমতা দেখালেন। আপনার ঘরে আপনার রাজাত্ব আর আমার ঘরে আমার।
ভোটে দাঁড়াবে প্রতিটি প্রার্থি । সুষ্ঠ ভোট কারচুপি বিহিন ভোট, ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব মুক্ত ফ্রেস নির্বাচন কি আমরা পাব না। আমেরিকায়তো ভোট হয়, কই আমাদের দেশের মত এমন কেওয়াজ হয় কি বলতে পারেন।
হানাহানি-মারামারি , হিংসা-হিংসি, লুটতরাজ, নির্বাচনের নামে অপচয় রোধ করতে হবে। প্রকৃত দেশপ্রেমি হব সবাই ইনশাল্লাহ।
* কাহারো মনে দু:খ দেয়ার জন্য বলিনি সরি *
এস আই সুমন