ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে’, খামেনিকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে
সিএনএম ডেস্কঃ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দীর্ঘ ৩৭ বছরের শাসনের সমাপ্তি ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, ‘দেশটিতে এখন নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার উপযুক্ত সময় এসেছে’।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে খামেনির একাধিক এক্স পোস্ট পড়ে শোনানো হয়, যেখানে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’

এসময় ট্রাম্প আরও বলেন, দমন-পীড়ন ও সহিংসতার ওপর নির্ভর করে ইরানি শাসকরা টিকে আছে। একটি দেশের নেতা হিসেবে তিনি (খামেনি) যে অপরাধ করেছেন, তা হলো পুরো দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া এবং আগে কখনো না দেখা মাত্রায় সহিংসতা ব্যবহার করা।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দিকে মনোযোগ দেওয়ার বদলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করছেন খামেনি।

খামেনিকে ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘লোকটি অসুস্থ মানুষ, তার উচিত নিজের দেশটা ঠিকভাবে চালানো এবং মানুষ হত্যা বন্ধ করা। তার নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই তার দেশ পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ স্থান।’

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের আগে তার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

ইরানি এই প্রধান ধর্মীয় নেতা বলেন, বিক্ষোভ চলাকালীন ইরানি জনগণের ওপর হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং অপবাদ আরোপের জন্য ট্রাম্পকে ক্রিমিনাল মনে করে তেহরান।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইরানি সংবাদমাধ্যম খামেনির উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘ইরান-বিরোধী সর্বশেষ বিক্ষোভটি ভিন্ন ছিল, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে এতে জড়িত হয়েছিলেন’।
খামেনি বলেন, ‘বিদেশি-সম্পর্কিত ব্যক্তিরা ব্যাপক রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী।

তিনি বলেন, ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। যা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে’, খামেনিকে ট্রাম্পের কড়া বার্তা

আপডেট সময় ১১:৫৬:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
সিএনএম ডেস্কঃ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দীর্ঘ ৩৭ বছরের শাসনের সমাপ্তি ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, ‘দেশটিতে এখন নতুন নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার উপযুক্ত সময় এসেছে’।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ জানুয়ারি) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী কয়েক সপ্তাহের বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হওয়ার পর এমন মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে খামেনির একাধিক এক্স পোস্ট পড়ে শোনানো হয়, যেখানে ইরানে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করা হয়। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানে নতুন নেতৃত্ব খোঁজার সময় এসেছে।’

এসময় ট্রাম্প আরও বলেন, দমন-পীড়ন ও সহিংসতার ওপর নির্ভর করে ইরানি শাসকরা টিকে আছে। একটি দেশের নেতা হিসেবে তিনি (খামেনি) যে অপরাধ করেছেন, তা হলো পুরো দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া এবং আগে কখনো না দেখা মাত্রায় সহিংসতা ব্যবহার করা।

তিনি বলেন, দেশ পরিচালনার দিকে মনোযোগ দেওয়ার বদলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করছেন খামেনি।

খামেনিকে ইঙ্গিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘লোকটি অসুস্থ মানুষ, তার উচিত নিজের দেশটা ঠিকভাবে চালানো এবং মানুষ হত্যা বন্ধ করা। তার নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই তার দেশ পৃথিবীর যেকোনো জায়গার চেয়ে বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ স্থান।’

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের আগে তার ব্যাপক সমালোচনা করেছেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।

ইরানি এই প্রধান ধর্মীয় নেতা বলেন, বিক্ষোভ চলাকালীন ইরানি জনগণের ওপর হতাহত, ক্ষয়ক্ষতি এবং অপবাদ আরোপের জন্য ট্রাম্পকে ক্রিমিনাল মনে করে তেহরান।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইরানি সংবাদমাধ্যম খামেনির উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘ইরান-বিরোধী সর্বশেষ বিক্ষোভটি ভিন্ন ছিল, কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে এতে জড়িত হয়েছিলেন’।
খামেনি বলেন, ‘বিদেশি-সম্পর্কিত ব্যক্তিরা ব্যাপক রক্তপাত ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী।

তিনি বলেন, ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে এবং কয়েক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। যা দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইরানকে বিপর্যস্ত করে রেখেছে।’