শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

পশ্চিম থানা পুলিশ নিয়ন্ত্রন করছে ভয়ংকর নারী পাঁচারকারী সিন্ডিকেট

  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫.০৩ পিএম
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে
পশ্চিম থানা পুলিশ নিয়ন্ত্রন করছে ভয়ংকর নারী পাঁচারকারী সিন্ডিকেট
ভয়ংকর এক নারী পাঁচারকারী সিন্ডিকেট গড ফাদার নিয়ন্ত্রন করছে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ। 
মোঃ আলমগীর (সেলিম)

মোঃ শফিকুল ইসলাম, মোবাইলঃ ০১৩০২১২১২৯৫,  হুমায়ন কবির খান ওরফে মিরাজ, মোঃ ইউসুফ ওরফে রিপন,
কামাল হোসেন শিশির, মোঃ জসিম , মোঃ মুজাম্মেল, মোঃ ফাহিম  মোঃ মিল্টন, মোঃ আকমল, মোঃ হুমায়ুন    মোঃ মুসা, মোঃ মামুন, (মোবাইল: ০১৮৩৬-১২৩৬১৫),  মোঃ আক্তার,  মোঃ জাহিদ, মোঃ ইয়াসিন, মোঃ মোমেন ,আবির এছাড়া আরো শতাধিক নারী পাঁচারকারী সিন্ডিকেট এর মধ্যে মেয়েদের সংগ্রহ করতে একেক দালালের সহায়তাকারী মহিলা পাঁচারকারীও রয়েছে। যারা নিজেরাও হোটেলগুলোতে দেহ ব্যবসা করে এবং সংগ্রহ করা নারীদের প্রহরী হিসেবে কাজ করেন। এরা উত্তরা পশ্চিম থানার ৯নং সেক্টরের আব্দুল্লাহপুর মোড়ে অবস্থিত সাবেক ওয়ান স্টার বর্তমান নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলে আস্তানা গেরে হোটেলের অর্ন্তরালে পতিতালয় স্থাপন করে ।

ঐ পতিতালয়ে খদ্দেরদের আকৃষ্ট করতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে বিভিন্ন বয়সের সুন্দরী শিশু কিশোরী নারীদের দালালরা সংগ্রহ করিয়া আনে। ঐ সকল দালালরা নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলা সহ চাকুরী বিদেশ পাঠানোর লোভনীয় অফার দিয়ে নানা কৌশলে মেয়েদের সংগ্রহ করিয়া প্রথমে হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক এরপর স্টাফ পরিচয়দানকারী দালালরা মেয়েদের হোটেলের রুমের ৪র্থ তলা ও ৩য়তলায় রুমগুলোতে আটক করিয়া পালা ক্রমে গ্যাং রেপ করে। এরপর রুমে আটক থাকা নারীরা কেউ যেতে চাইলে তাদের দিয়ে করানো অসামাজিক কার্যকলাপের চিত্র, ভিডিও ফুটেজ পাচারকারীরা ঐ সকল নারীদের দেখিয়ে তাদের পালানোর পথ বন্ধ করে দেয়। আর এরপরও যদি কেউ কোন সুযোগে পালিয়ে যায়।

এরপর কেউ স্থানীয় উত্তরা পশ্চিম থানায় কেউ অভিযোগ করে তাহলে অফিসার ইনচার্জ, ইন্সপেক্টর তদন্ত, ইন্সপেক্টর অপারেশন উক্ত রংধনু আবাসিক হোটেলের অপকর্ম তো বন্ধ করতেই চায় না উল্টো অভিযোগকারীনী বাদিনীর উপর ক্ষিপ্ত হন। নানা কৌশলে অভিযোগকারীদের তাড়িয়ে দেন। অনুসন্ধানকালে নাম গোপন রাখা স্বত্তে¡ এক পুলিশের সোর্স জানান, তিনি মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন তথ্য দিয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ সদস্যদের সহযোগীতা করেন। কিন্তু হোটেলের অপকর্মের বিরুদ্ধে কোন তথ্য দিলে উল্টো সোর্স দের এসকল তথ্য দিতে নিষেধ করেন। উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় রংধনু আবাসিক হোটেল ছাড়া ও প্রায় ১০-১২ টি আবাসিক হোটেল রয়েছে।

ঐ হোটেলগুলোর সাইনবোর্ডের অর্ন্তরালে ২৫-৩০ জন মেয়ে রাখিয়া হোটেলগুলো পতিতালয় স্থাপন করিয়া বহিরাগত পুরুষ আহŸান করিয়া দালালরা মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করায়। আর হোটেলগুলোতে সব সময়ই ২-৪ জন করে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে পাওয়া যায়। যাদেরকে পাচারকারীরা নানা কৌশলে আনিয়া আটক করিয়া দেহ ব্যবসা করতে বাধ্য করে। আর এ সকল হোটেল নামক পতিতালয়ের ভবন মালিকরা ও সহযোগীতা করে আসছে। এছাড়া উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার হোটেল গুলোর বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে তার আর কোন হয়রানির শেষ থাকে না।
হোটেল গুলোর তালিকা প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা হাজী মহিউদ্দিন বলেন, উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় হোটেল ব্যবসায়ীরা বেশ দাপলে হোটেলগুলোকে পতিতালয় বানিয়ে যুব সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। প্রত্যেকটি হোটেলেই রাত হলে বসে জুয়া ও মাদকের আসর। আর রুমগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিভিন্ন মামলার দাগী, ফেরারি আসামীরা উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকা নিরাপদ মনে করে হোটেলের রুম গুলোতে নিরাপদ আস্তানা বানিয়েছে। প্রতিদিনই কোন না কোন হোটেল হতে মেয়েদের উপর নির্যাতনের ফলে কান্নার আওয়াজ শোনা যায়। তবে এ নিয়ে হোটেল পাঁচারকারী সিন্ডিকেটের ভয়ে কেউ মুখ খুলে না। এখানে শিশু কিশোরী তো দূরের কথা বয়স্ক নারীদেরও ছাড়ে না। প্রতিনিয়ত পাচারকারীদের ফাঁদে কোন না কোন নারী নিয়মিত পরছেই।

অনুসন্ধানকালে ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে নাসিমা নামে এক নারী জানায়, আমি হোটেলে আটক থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে আমি এখন দেহজীবী। রুমা (১৪), নামে এক মেয়ে জানায়, আমি এই পাচারকারী সিন্ডিকেটের হাত থেকে বাঁচতে চাই তারা আমাকে রংধনু আবাসিক হোটেলে আটক করে এক হোটেল থেকে আরেক হোটেলে নিয়মিত পাঠাচ্ছে। আমাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করিয়ে পাচারকারী হান্নান, আবির, মুন্না ও তার অন্যান্য সহযোগীরা মোটা অংকের অর্থ কামাচ্ছে। আমি আমার বাবা মায়ের সাথেও যোগাযোগ করতে পারি না। কোন খদ্দের রুমে দিলে খদ্দেরের মোবাইলটিও তারা রেখে দেয়। কাজ শেষ হলে আবার মোবাইটি দিয়ে দেয়।

রাজিয়া নামে আরেক নারী জানায়, আমি পাচারকারী সিন্ডিকেটের নির্যাতনের শিকার হয়ে, উত্তরা পশ্চিম থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোদ দিয়েছি। কিন্তু পুলিশ আমার সাথে অপেশাদারিত্ব আচরণ করে বলেছে হোটেলগুলোতে দেহ ব্যবসা করে তোমরা ভালো টাকা কামাও এটাও তো একটা রোজগারের পথ। ঝামেলা না করে তাদের সাথে মিলে মিশে থাক।  ভবিষ্যতে লাভ হবে।  এছাড়া প্রায় রংধনু সহ আশেপাশের বিভিন্ন হোটেল গুলোতে রুম বর্ডার বেশে ঘুরে ঘুরে প্রায় ২০-২৫ জন শিশু কিশোরী মেয়েদের সাথে কথা বলে এই লোমহর্ষক তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে শিশু-কিশোরী মেয়েরা দেহ ব্যবসার এই পথে থাকতে চান না তারা বাচতে চান তাদের পরিবারের কাছে ফেরত যেতে চান। ঐ নারীরা আরো বলেন শুধু পাবলিক-ই তাদের সাথে মেশামেশা করে না অনেক আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরাও শিশু কিশোরীদের নিয়ে অনেক মজা করেন এবং তাদের সাথে শারীরিক নির্যাতন পূর্বক যৌন মেলামেশায় লিপ্ত হন।

এক মানবাধিকার কর্মী শহিদুল ইসলাম রাজু নামে এক ব্যক্তি জানান, হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশন নামক এক মানবাধিকার সংগঠন উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার প্রায় ৮ টি হোটেল উল্লেখ করে জনস্বার্থে মানব পাঁচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঐ মামলারটি আজ ও পর্যন্ত উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ তদন্তই করছেন। মামলায় উল্লেখিত ভিকটিমদের হোটেলগুলো হতে উদ্ধার করছেন না। আবার কোন ক্ষেত্রে কোন ভিকটিমকে পুলিশ উদ্ধার করলেও ঐ ভিকটিমদেরকেও উল্টো মানব পাচার মামলা দিয়ে খদ্দেরদের সাথে জেল হাজতে পাঠাচ্ছেন। কিন্তু হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক বা ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোন মামলা দেন না। তারা চান হোটেল গুলোতে অপকর্ম টিকে থাক।

এছাড়া এক নারী সাবেক ওয়ান স্টার বর্তমান রংধনু আবাসিক হোটেলে ধর্ষণের শিকার হয়ে, উত্তরা পশ্চিম থানায় এজাহার দিতে গেলে পুলিশ তার বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ঐ নারী উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আইজিপি, পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমের কাছে ন্যায় বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঐ নারীর অভিযোগ সূত্রে, পাওয়া তথ্য হতে জানা যায় অভিযোগে নারী উল্লেখ করেন,

আমি এক সন্তানের জননী। আমার পূর্ব পরিচিত ২ ও ৫ নং বিবাদী মিরাজ ও জসিম আমাকে সৌদি আরব বাসা বাড়িতে কাজের ভিসায় পাঠাইতে পারবে বললে আমি সৌদি আরব যাওয়ার জন্য মনস্থির করি। তখন ২ ও ৫ নং বিবাদী অদ্য ইংরেজি ১৯/১১/২০২৫ তারিখ বেলা আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় আমার বর্তমান ঠিকানার বাসায় গিয়ে আমাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য তাদের উত্তরা অফিসে নেওয়ার কথা বলিয়া আমার বসত বাসা হইতে তারা আমাকে রাস্তায় আনিয়া অজ্ঞাতনামা ১৮ নং বিবাদীদের মধ্যে একজনে আমাকে বাইকে তুলিয়া অন্যান্য বিবাদীরা বলে তুমি যাও আমরা সিএনজিতে আসতেছি। এ বলিয়া এক পর্যায় আমাকে আনুমানিক বেলা ১১ ঘটিকার সময় উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার আব্দুল্লাহপুর চৌরাস্তার মোড়ে নিয়ে অজ্ঞাতনামা বিবাদী বাইকার আমাকে নামিয়ে ১নং বিবাদী শফিক অজ্ঞাতনামা ১ জন বিবাদী আমাকে রিসিভ করে ওয়ান স্টার নামক আবাসিক হোটেলের ৪র্থ তলায় নিয়ে যায়। উক্ত হোটেলে নিয়ে আমাকে একটি রুমের খাটের উপরে বসায়। এরপর কিছুক্ষণ পর অন্যান্য বিবাদীগণরা ঐ রুমে আসে। কিছুক্ষণ পর বিবাদীরা পৃথক ভাবে আমার পাশে বসে আমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত বুলায়।
এক পর্যায়ে আমি ২ ও ৫ নং বিবাদীকে বলি যে, আমার সাথে এগুলো কি হচ্ছে? আপনাদের অফিসের বস কোথায়। এরিমধ্যে ১ নং বিবাদী শফিক আসে অন্যান্য বিবাদীরা বলে, এই হলো আমাদের বস। এক পর্যায়ে আমি বুঝতে পারি আমি খারাপ লোকের পাল্লায় পড়েছি। তখন আমি ১ ও ২ নং বিবাদীর কাছে দেওয়া আমার পাসপোর্ট ফেরত চাই। এবং সেখান থেকে আমি চলে আসতে নিলে বিবাদীরা আমাকে ঝাপটে ধরে রুমের ভিতরে ঢোকায় এবং রুমের দরজার ছিনকিনি লাগিয়ে বিবাদীরা আমার পরিহিত জামা কাপড় টানা হেঁচড়া করে খুলে আমি তাদের বাঁধা দিলে আমাকে চড়, থাপ্পর, কিল,ঘুষি, মেরে এবং ধারালো একটি ছোড়া ১নং বিবাদী আমার গলায় চেপে ধরে হত্যার ভয় দেখাইয়া শারীরিক নির্যাতন পূর্বক পর্যায়ক্রমে ১,২,৩,৪,৫,৬নং সহ অজ্ঞাতনামা ১৭ নং বিবাদীরা আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
আর ৭,৮,৯,১০,১১,১২,১৩,১৪,১৫,১৬ নং নামীয় এবং অজ্ঞাতনামা ১৮ নং বিবাদীরা ধর্ষকদের সহায়তা করে। এক পর্যায়ে আমি অসুস্থ হইয়া পরলে বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় এবং বলে এ নিয়ে যদি আমি বাড়াবাড়ি করি তাহলে আমাকে হত্যা করিয়া আমার লাশ গুম করিয়া ফালাইবে বলিয়া হুমকি দিয়ে উক্ত হোটেল থেকে আমাকে রাস্তায় নামাইয়া দেয়। উক্ত বিষয়ে আমার পরিবারকে জানাইয়া বিভিন্ন ভাবে খোজাখুঁজি করিয়া ও আসামীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করিয়া ন্যায় বিচার পাওয়ার আসায় ও চিকিৎসার সহায়তা পেতে থানায় ঐ দিন ১৯/১১/২০২৫ইং তারিখ বেলা ৫ ঘটিকার সময় থানায় গিয়ে এজাহার দায়ের করি।

উত্তরা পশ্চিম থানায় এজাহার দেওয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওসি তদন্ত, ওসি অপারেশন, আমাকে থানায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রেখে গোপনে ঘটনাস্থল সাবেক ওয়ান স্টার বর্তমান নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলে গিয়ে ধর্ষকদের গ্রেফতার করে এবং ঐ হোটেলে চলা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত প্রায় ২০-২৫ জন মেয়েকেও আটক করে। তার মধ্যে বেশির ভাগ নারীরাই অপ্রাপ্ত বয়স্ক। এক পর্যায়ে, হোটেলে অভিযান চালিয়ে ১-১৮ নং আসামীদের গ্রেফতার করে। তাদের সাথে প্রায় ২৫-৩০ জন খদ্দের ও আটক করে। এক পর্যায় অজ্ঞাতনামা মামলার তদন্তকারী অফিসার সেখানে আটককৃত লোকদের কাছ হতে প্রায় ৮-৯ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি করে তদন্ত কর্মকর্তা গ্রেফতারকৃত সকল ধর্ষক ও অন্যান্যদের কে ছেড়ে দিয়ে থানায় এসে আমাকে প্রায় রাত ২ ঘটিকা পর্যন্ত থানায় বসিয়ে রেখে মামলা না নিয়ে উল্টো আমাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখায় এবং বলে আমি যদি ধর্ষণ মামলা করতে চাই তাহলে আমাকে পতিতা বানাইয়া হোটেল থেকে কিছু পতিতা গ্রেফতার করিয়া আনিয়া তাদের সাথে পতিতা সাজাইয়া আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়া আমাকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

আর যদি আমি মামলা না করে তাদের শিখিয়ে দেওয়া কথা বার্তা তদন্ত কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং ইন্সেপেক্টর অপারেশন, ইন্সেপেক্টর তদন্তের সামনে বসে তাদের মোবাইলের ভিডিও সামনে শিখানো কথাবার্তাগুলো বলি তাহলে আমাকে তারা ছেড়ে দিবে এই বলে, আমাকে বিভিন্ন ভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন পূর্বক তাদের শিখিয়ে দেওয়া কথাগুলো তাদের মোবাইল ভিডিওর সামনে বলিয়ে ঐ কথা ভিডিও করে রাখে এবং তারা বলে, আমার এই ভিডিও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হবে যাতে করে সাবেক ওয়ান স্টার বর্তমানে নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে কোন মামলা না হয় এবং হোটেলটির কোন ক্ষতি না হয়। ভিডিও করে রাখার পর, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আর অফিসার ইনচার্জ ও ওসি অপারেশন, ওসি তদন্ত বলে, উক্ত ধর্ষণের ঘটনাস্থল রংধনু আবাসিক হোটেল ঐ হোটেলটি উত্তরা ডিভিশনের তাদের সিনিয়র স্যার উপ-পুলিশ কমিশনারের। তাই এই হোটেলের ধর্ষণ তো দূরের কথা হোটেলটির কোন ভাবে তাদের পতিতা ব্যবসার ক্ষতি হলে, উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশের চাকুরী থাকবে না।

তাই হোটেলটির নিরাপত্তা দিতে হোটেলের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। এ বলে, আমাকে ভয়-ভীতি দেখায়। এরিমধ্যে হোটেল মালিক মোঃ সুলতান ওরফে মামুন, (মোবাইল: ০১৮৩৬-১২৩৬১৫), মুন্না, (মোবাইল: ০১৯৪৬৪৪৩৬০৩), পারভেজ, (মোবাইল: ০১৯৩৭৩০৬০৯৪) সহ আরো ২-৩ জন এসে মামলার তদন্তকারী এসআইকে ১ লক্ষ, অফিসার ইনচার্জকে ২ লক্ষ, ইন্সপেক্টর তদন্তকে ১ লক্ষ, ইন্সপেক্টর  অপারেশনকে ১ লক্ষ টাকা দেয় এবং ঐ ধর্ষকরা ওসি সহ মামলার তদন্তকারী এসআই কে বলে, স্যার এ নিয়ে আবার পরে এ নারী ভেজাল করবে কিনা? যদি ঝামেলা/সন্দেহের কোন আশংকা থাকে তাহলে ওরে আমাদের হাতে তুলে দেন। ওর লাশ ও কেউ খুজে পাবে না। এক পর্যায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে নানা ধরনের হুমকির মুখে রেখে গভীর রাতে থানা থেকে ছেড়ে দেয়। এবং বলে, এ ঘটনা এখানেই ভুলে যাবি আর কোন দিন যেন এ এলাকায় তুরে না দেখি। এক পর্যায় আমি নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার না পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় আমার বাসায় চলে আসি।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ঐ নারী সুপারিশ করেন, ধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণ পূর্বক ও সাবেক ওয়ান স্টার বর্তমান নিউ রংধনু আবাসিক হোটেলের সকল ধরনের অপকর্ম বন্ধ করা সহ সেখানে আটক মেয়েদের উদ্ধার পূর্বক উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ সদস্যদের অপেশাদারিত্ব আচরণ এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে সুপারিশ জানান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2025
Theme Developed BY ThemesBazar.Com