ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

প্রমাণ করুন আল-জাজিরায় যা কিছু আছে সব মিথ্যা – মির্জা আব্বাস

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম প্রতিবেদকঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘সরকারকে বলতে চাই, আপনারা প্রমাণ করুন আল-জাজিরায় যা কিছু আছে সব মিথ্যা। আমরা আপনাদের সমর্থন দেব।’
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসনের কারাবন্দীর তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়াজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জ আব্বাস বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দী করা হয়েছে। তাকে দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করার মামলা দেয়া হয়েছে। আত্মসাতের ঘটনা প্রমাণ করতে পারে নাই। দুই কোটি টাকার জন্য খালেদা জিয়ার যদি সাজা হয়, দুই কোটি টাকা তো ৮ কোটি টাকা হয়ে গেছে, তার জন্য খালেদা জিয়ার পুরস্কার কী হবে জানতে চাই।’
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন কারাবন্দী ছিলেন তখন আমরাও কারাবন্দী ছিলাম। তখন আমরা অনেকেই জেলে ছিলাম। সেসময় তারেক রহমানও জেলে ছিলেন। সুস্থ তারেক রহমানকে জেলে নিয়ে যাওয়া হলো, অসুস্থ তারেক রহমান ফেরত আসলেন।’
কারাবন্দী থাকা অবস্থার কথা স্মরণ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সেসময় আমার সঙ্গে কারাগারে একরুমে ছিলেন আমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বন্দী অবস্থায় আমাদের সঙ্গে আরও ছিলেন ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ, শেখ সেলিমের মতো আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতারা। সকলেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ছিলেন। ওবায়দুল কাদের এখন লম্বা লম্বা কথা বলেন।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখন দেখা যাচ্ছে সেই মামলাগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও নাই। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সকলের মামলা চলমান আছে। এত বড় অন্যায় অপরাধ করে যাচ্ছে খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

প্রমাণ করুন আল-জাজিরায় যা কিছু আছে সব মিথ্যা – মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ১২:৫০:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সিএনএম প্রতিবেদকঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘সরকারকে বলতে চাই, আপনারা প্রমাণ করুন আল-জাজিরায় যা কিছু আছে সব মিথ্যা। আমরা আপনাদের সমর্থন দেব।’
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি চেয়ারপারসনের কারাবন্দীর তৃতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়াজিত প্রতিবাদ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জ আব্বাস বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাবন্দী করা হয়েছে। তাকে দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করার মামলা দেয়া হয়েছে। আত্মসাতের ঘটনা প্রমাণ করতে পারে নাই। দুই কোটি টাকার জন্য খালেদা জিয়ার যদি সাজা হয়, দুই কোটি টাকা তো ৮ কোটি টাকা হয়ে গেছে, তার জন্য খালেদা জিয়ার পুরস্কার কী হবে জানতে চাই।’
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা আরও বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন কারাবন্দী ছিলেন তখন আমরাও কারাবন্দী ছিলাম। তখন আমরা অনেকেই জেলে ছিলাম। সেসময় তারেক রহমানও জেলে ছিলেন। সুস্থ তারেক রহমানকে জেলে নিয়ে যাওয়া হলো, অসুস্থ তারেক রহমান ফেরত আসলেন।’
কারাবন্দী থাকা অবস্থার কথা স্মরণ করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘সেসময় আমার সঙ্গে কারাগারে একরুমে ছিলেন আমান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বন্দী অবস্থায় আমাদের সঙ্গে আরও ছিলেন ওবায়দুল কাদের, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ, শেখ সেলিমের মতো আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতারা। সকলেই বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ছিলেন। ওবায়দুল কাদের এখন লম্বা লম্বা কথা বলেন।’
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এখন দেখা যাচ্ছে সেই মামলাগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের যারা ছিলেন তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও নাই। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ সকলের মামলা চলমান আছে। এত বড় অন্যায় অপরাধ করে যাচ্ছে খালেদা জিয়াকে বন্দি রেখে।’
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দীন টুকু, সিনিয়র সহসভাপতি মোর্তাজুল করিম বাদরু, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, কৃষকদলের সদস্য সচিব কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।