সিএনএমঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ মন্ডলকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ফেনসিডিল সেবন ও জুয়া খেলার দুটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো পুরোনো বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপরও একজন রাজনৈতিক নেতাকে ঘিরে মাদক সেবন ও জুয়া খেলার অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, আরিফ মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ছাত্রদলের ইউনিয়ন সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করার পর তিনি যুবদলের সভাপতি হন। পরে কাশীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান বলে জানা গেছে।
এর আগে আরিফ মন্ডলের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছিল বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। এমনকি একবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ফেনসিডিলসহ তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, কোনো রাজনৈতিক নেতা যদি মাদক সেবন বা জুয়ার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে তা সমাজে নেতিবাচক বার্তা দেয়। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলেও তারা মনে করছেন।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলো তার নজরে আসেনি। কোনো নেতা ব্যক্তিগতভাবে অপরাধে জড়িত হলে তার দায় দল নেবে না। অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে। দলের পক্ষ থেকে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয়েছে। তাই দলের কোনো নেতা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।
অভিযোগের বিষয়ে আরিফ মন্ডলের বক্তব্য জানতে একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলোর সত্যতা এবং এগুলো কখন ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও যাচাইয়ের পরই অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।
Reporter Name 
























