সিএনএমঃ
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ৩ নং ওয়ার্ডের নিমাইকাশারি এলাকাটি একটা সময় ছিলো সভ্যতার ছায়ায় ঘেরা। সাধারণ মানুষের বিশ্বস্ত ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিলো নিমাইকাশারি। কিন্তু, হঠাৎ এই শান্ত এলাকাটিতে নেমে আসে মাদক ও পতিতাবৃত্তি নামক অশান্ত এক কালো মেঘের ছায়া।
আর এই ভয়ঙ্কর অপরাধের নেপথ্যে লুকিয়ে আছে কিছু অসাধু চক্র — তারা হলেন: রেহানা, সাথী, ইতি, তাসলি, কাউসার, ইয়াসিন, সোলায়মান ও মিম সহ একদল অশুভ শক্তি। যারা কিনা প্রকাশ্যে একের পর এক অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়েই যাচ্ছে। আর এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা: রেহানা।
কথিত এই কয়েকজনের হাত ধরেই নিমাইকাশারি এলাকা ভেসে বেড়াচ্ছে মাদকের বন্যায়। একটা সময় মাদকের রাজ্য বাঘমারা ধরা হলেও বর্তমানে নিমাইকাশারি এলাকাটি মাদকের জন্য বাঘমারা থেকে অনেকটা এগিয়ে। এই শান্ত এলাকাটিকে মাদক দিয়ে অশান্ত করে তোলা সিন্ডিকেটটি দীর্ঘদিন ধরে অত্র এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে।
সাধারণ মানুষ মাদকের এই সিন্ডিকেটটির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাদেরকে হুমকি ধামকি এমনকি মারধরের শিকার হতে হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রশাসন বহুবার হস্তক্ষেপ গ্রহণ করার পরও তাদের এই অবৈধ কারবারটি বন্ধ করতে পারছে না বলে জানায় এলাকাবাসী।
এলাকায় চাউর রয়েছে- মাদকের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে মেয়েদেরকে দিয়ে রমরমা দেহ ব্যবসা করে আসছে এই সিন্ডিকেটটি। আর এই দেহ ব্যবসার প্রধান দুই কারিগর:- রেহানা ও সাথী।
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার আমলে রেহানা ছিলেন আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত এক কর্মী। যে কিনা কোনো পদ পদবি ছাড়াই আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন অনৈতিক ও অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।
৫ই আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার বিতাড়িত হওয়ার পর কিছুদিন গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুনরায় আবারও সেই অপরাধের স্বর্গরাজ্য গড়ে তোলেন রেহানা ও তার দল।
রেহানা ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। সচেতন মহলের একটাই চাওয়া এই অপরাধ সিন্ডিকেটটিকে যেন দ্রুত এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয় এবং আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদান করা হয়।