সিএনএমঃ
রাজধানীর গুলশান থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কর খোকনকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ধরলে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি।
শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুজ্জোহা সুমন দাবি করেন, আসামি অজয় কর খোকন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন ছিলেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যক্তিরা সাধারণ আসামি নন এবং তাদের ভূমিকা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগের একটি অংশের ওপর ভর করেই রাজনৈতিক পুনরুত্থানের পরিকল্পনা থাকতে পারে, যা তদন্তের স্বার্থে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
আসামীপক্ষের আইনজীবী ওবায়দুল ইসলাম বলেন, অজয় কর খোকন দীর্ঘদিন রাজনীতির বাইরে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোনো অপরাধের প্রমাণ নেই। তিনি দাবি করেন, আসামি কখনো অন্যায় কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না এবং বিভিন্ন সময়ে শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
শুনানির সময় আদালতের অনুমতি নিয়ে অজয় কর খোকন নিজেও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, প্রায় তিন দশক আগে ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে আর সক্রিয় ছিলেন না। তিনি নিজেকে গণতন্ত্রের পক্ষে দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ভাটারা থানাধীন নতুন বাজার এলাকায় সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় গুলিবর্ষণের ঘটনায় তৌহিদ মিয়া নামে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। পরবর্তী সময় ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট তিনি বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন।