ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে
সিএনএমঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামী-স্ত্রী গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে (পোকা মারার ওষুধ) আত্মহত্যা করেছে।

৭ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এর আগে রাত ৯ টার দিকে তারা গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

নিহতরা হলেন, জেলার মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের বরাইল গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৪০) ও তার স্ত্রী গোলাপি (৩০)।

নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমনের প্রথম স্ত্রী খাদিজাকে না জানিয়ে গোপনে গত এক সপ্তাহ আগে গোলাপি নামে আরেকজনকে বিয়ে করে। গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) খাদিজা তার বাবার বাড়ি গেলে এ সুযোগে ছোট বউ গোলাপিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন সুমন।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খাদিজা বাড়ি আসার পর থেকেই ঝগড়া চলছিল। রাতে তারা এক সাথে খাবারও খাই। পারিবারিক দ্বন্দ্বে রাত ৯টার দিকে সুমন ও গোলাপি গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করলে প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২টার দিকে গোলাপি ও রাত ২টার দিকে সুমন মারা যায়।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাঃ আবু আনসারি বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের অবস্থা আশংকাজনক হলে হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করার প্রক্রিয়া করা হলেও রোগীর স্বজনরা অন্যত্র নিতে অপারগতা জানান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায় বলে জানান মেডিকেল অফিসার।

মহাদেবপুর  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামী-স্ত্রীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
সিএনএমঃ
নওগাঁর মহাদেবপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে স্বামী-স্ত্রী গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে (পোকা মারার ওষুধ) আত্মহত্যা করেছে।

৭ ফেব্রুয়ারি, বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এর আগে রাত ৯ টার দিকে তারা গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করেন।

নিহতরা হলেন, জেলার মহাদেবপুর উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের বরাইল গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৪০) ও তার স্ত্রী গোলাপি (৩০)।

নিহতের পরিবার ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুমনের প্রথম স্ত্রী খাদিজাকে না জানিয়ে গোপনে গত এক সপ্তাহ আগে গোলাপি নামে আরেকজনকে বিয়ে করে। গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) খাদিজা তার বাবার বাড়ি গেলে এ সুযোগে ছোট বউ গোলাপিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন সুমন।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খাদিজা বাড়ি আসার পর থেকেই ঝগড়া চলছিল। রাতে তারা এক সাথে খাবারও খাই। পারিবারিক দ্বন্দ্বে রাত ৯টার দিকে সুমন ও গোলাপি গ্যাস ট্যাবলেট সেবন করলে প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২টার দিকে গোলাপি ও রাত ২টার দিকে সুমন মারা যায়।

নওগাঁ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের ডাঃ আবু আনসারি বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর ছিল। তাদের অবস্থা আশংকাজনক হলে হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করার প্রক্রিয়া করা হলেও রোগীর স্বজনরা অন্যত্র নিতে অপারগতা জানান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায় বলে জানান মেডিকেল অফিসার।

মহাদেবপুর  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের পর আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।