সিএনএমঃ
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন-১৫ বিজিবি সীমান্ত এলাকায় পৃথক ৪টি বিশেষ অভিযানে ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন চোরাইপণ্য জব্দ করেছে।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিজিবি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় চলমান গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন বিওপি’র ৪টি বিশেষ টহলদল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে এসব পণ্য জব্দ করে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, চোরাকারবারীরা ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল বাংলাদেশে পাচারের চেষ্টা করছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে অনন্তপুর বিওপি, ঝাউরানী বিওপি, বালারহাট বিওপি ও মোগলহাট বিওপি’র আওতাধীন সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে টহলদল সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধি লক্ষ্য করে ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা তাদের সঙ্গে থাকা মালামাল ফেলে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেয়ারডিল সিরাপ ৫০ বোতল, ইস্কাফ সিরাপ ৪৭ বোতল, জিরা ১০৩ কেজি, চিনি ১৩০ কেজি, প্যান্টের কাপড় ৭০ পিস এবং বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়।
জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে জিরার মূল্য ১ লাখ ৩ হাজার টাকা, চিনির মূল্য ১৯ হাজার ৫শ’ টাকা, প্যান্টের কাপড়ের মূল্য ২ লাখ ১০ হাজার টাকা, ফেয়ারডিল সিরাপের মূল্য ২০ হাজার টাকা, ইস্কাফ সিরাপের মূল্য ১৮ হাজার ৮শ’ টাকা এবং অন্যান্য সামগ্রীর মূল্য ৮২ হাজার ৯৩০ টাকা। সর্বমোট জব্দকৃত মালামালের মূল্য ৪ লাখ ৫৪ হাজার ২৩০ টাকা।
১৫ বিজিবি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় জড়িত চোরাকারবারীদের পরিচয় শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বাসস’কে বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান দমন ও মানবপাচার প্রতিরোধে বিজিবি সবসময় আপসহীন। চোরাচালানমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।