বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদক ব্যবসায়ীদের বাঁধা দেওয়ায় বাড়ি ঘর লুটপাট ভাংচুর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী একটি বাস উল্টে নদীতে সায়েদাবাদে জমে উঠেছে নারী বেচাকেনার হাট দায়িত্বে অবহেলায় কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ, নিহত ১২: র‌্যাব চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিটি শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: ডা. জুবাইদা রহমান জুলাইযোদ্ধাদের সর্বসম্মতভাবে দায়মুক্তি দেয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী চানখারপুলে হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অভিযান পাঁচদিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা মূল্যের এলএসডি মাদক উদ্ধার জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক

সায়েদাবাদে জমে উঠেছে নারী বেচাকেনার হাট

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ৬.৫০ পিএম
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে
সায়েদাবাদে জমে উঠেছে নারী বেচাকেনার হাট
প্রতিনিয়তই হচ্ছে কেউ না কেউ নির্যাতনের শিকার
পুলিশের নাকের ডগায় সায়েদাবাদে জমে উঠেছে নারী বেচাকেনার হাট।
সিএনএম প্রতিনিধিঃ
যাত্রাবাড়ি থানার ওসির বিরুদ্ধে নারী ব্যবসায়ীদের সাথে সখ্যতা থাকার অভিযোগ দায়ের করেছেন মাকসুদা নামে এক নারী।
তিনি অভিযোগে বলেন, আমি হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন এর ঢাকা জেলা কো-অর্ডিনেটর। আমি অভিযোগ করিতেছি যে, গত ৩০/১১/২০২৫ ইং তারিখে ডিএমপির যাত্রাবাড়ি থানা এলাকার আবাসিক হোটেল ১) গোল্ডেন, ২) মিজান ৩) ছায়ানীড় ৪) ডিএমডি ৫) সানমুন ৬) রোজভিউ ৭) আল হায়াত ৮) ঢাকা টাইমস এ চলা অপকর্মের বিরুদ্ধে মানব পাচার অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল ঢাকায় একটি মামলা দায়ের করি।
যাহার পিটিশন নং-১৯০/২০২৫, ধারা-৬/৭/১০ (১) /১১/১২ (১) (২) এর (ক) (ঘ)। মামলা হওয়ার পর তদন্তের দায়িত্ব দেন যাত্রাবাড়ি থানাকে। মামলার পিটিশনটি থানায় আসার পর তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই আশরাফুজ্জামানকে যার মোবাইল নং-০১৭১২৪২৬২৩৯। তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আমি একাধিকবার যোগাযোগ করলে তদন্ত কর্মকর্তা কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উদ্ভট কথা বার্তা বলে এবং মামলায় উল্লেখিত আটক থাকা একাধিক ভিকটিমকে উদ্ধারে অদ্য পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয় নাই। উপরন্ত মামলায় উল্লেখিত হোটেলগুলোতে জমজমাট মাদক, ও নারী বেঁচা কেনার কারবার চলছে ও নানা ফন্দি ফিকির করে প্রত্যন্ত অঞ্চল হতে দালালদের মাধ্যমে হোটেলগুলোতে কৌশলে সহজ সরল মেয়েদের এনে নানাবিধ শারীরিক, মানসিক নির্যাতন করে ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটায় এছাড়া হোটেলগুলোর পক্ষে রাত-দিন বসে নেশা দ্রব্য, মাদক সেবনের আসর। সেখানে নারী পুরুষ খদ্দের, দালাল, দেহজীবী বিভিন্ন পেশার কর্মজীবী মাদকসেবীরা মাদকের আসর বসিয়ে মাদক সেবন করে। এমনকি অনেকে নেশায় আসক্ত হয়ে মাতাল হয়ে মাতলামি করে পাগলের মতো ছোটাছুটি করে। এছাড়া দালালরা অর্থ উপার্জন করতে ঐ সকল পাচারকারীদের হাতে সংগ্রহকৃত নারীদের দেহজীবী বানিয়ে তুলে দিচ্ছে খদ্দেরের হাতে এ বিষয়ে ঐ সকল অসামাজিক, অপরাধকর্মের বিরুদ্ধে এবং হোটেলগুলোতে দালালদের কাছে আটক ও জিম্মি থাকা নারীদের উদ্ধারে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পর যাত্রাবাড়ি থানা পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর মামলায় উল্লেখিত অসামাজিক ব্যক্তিবর্গ অপরাধীদের সাথে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি সহ তদন্ত কর্মকর্তা সখ্যতা গড়ে তুলে ঐ হোটেলগুলোতে চলা অপকর্মে গোপনে সহযোগিতা করছে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও ডেমরা জোনের এসি। এরিমধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে ও ওসির সাথে মামলার বাদী মাকসুদা দেখা করতে যাত্রাবাড়ি থানায় গেলে হঠাৎ দেখতে পান মামলার আসামী হোটেল মালিকদের নিয়ে অফিসার ইনচার্জ সলা পরামর্শ করছে।
আসামীদের ওসির সাথে এমন খোশ গল্প করতে দেখে এক পর্যায় মাকসুদা থানা থেকে বের হয়ে বাহিরে চলে আসে
বাহিরে অপেক্ষা করতে থাকা অবস্থায় এরিমধ্যে এসি, ওসির তদারক কারী থানার দালাল দুইজন লোক তার সম্মুখে এসে তাকে বলে, যে মামলা করেছেন ভালো কথা এগুলো নিয়ে বাড়াবাড়ি কইরেন না মামলায় যে হোটেলগুলো উল্লেখ করেছেন ঐ হোটেলের মালিক মিজানগণরা ওসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও এসিকে মাসে প্রায় ২০-২২ লক্ষ টাকা চাঁদা দেয় তাই ঐ হোটেলগুলো নিয়ে মাথা ঘামাইয়েন না। কোর্টে গিয়ে মামলাটি তুলে নেন। নইলে আপনার হয়রানির শেষ থাকবে না। এরপর আমি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামানকে ফোন দিয়ে মামলায় উল্লেখিত ভিকটিম উদ্ধার করতে বললে তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে জানায় তাদের সময় হলে তারা ব্যবস্থা নিবে। অথচ হোটেলগুলোর অপরাধ কর্মের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ, বা যাত্রাবাড়ি ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে না হোটেলের রুমগুলোতে প্রতি নিয়ত কোন কোন নারীর ফাঁদে পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন. ধর্ষণ সহ বিভিন্ন কৌশলে নারীদের অপহরণ করে দালালরা মুক্তিপণ পর্যন্ত আদায় করছে। কোন নারী ফাঁদে পরে দালালদের হাতে পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে রেহায় পাচ্ছে না অসহায় নারীরা। হতে হয় সর্বশান্ত।  যাত্রাবাড়ি থানাধীন সায়েদাবাদ জনপদ মোড় সংলগ্ন রোজ ভিউ ও আল হায়াত আবাসিক হোটেলে সর্বশান্ত হওয়া পৃথক দুই নারী আটক হওয়ার পর দালালদের হাতে পায়ে ধরে বাঁচতে চাচ্ছে এমন অবস্থায় হোটেলের আশেপাশের কক্ষের লোকজন ঘটনা জানতে পেরে পাশের রুমগুলোতে গিয়ে মেয়েদের কে উদ্ধার করে তাদের গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য গাড়িতে তোলে দেওয়ার সহযোগীতা করেন।
অন্য আরেকটি রুমে পৃথক এক নারীকে হোটেলে আনা দালালদের সহায়তাকারী শাহিদা সেখানে থাকা লোকজনদের অনুরোধ করে বলে, ভাই আপনাদের কিছু টাকা পয়সা দেই আপনারা মেয়েটিকে আমার কাছে বুঝিয়ে দেন। আমরা এখানে যা কিছু করি হোটেল মালিকদের লাভের জন্য করি। তাছাড়া যাত্রাবাড়ি থানার ওসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত ,ইন্সেপেক্টর অপারেশন, ও ডেমরা জোনের এসি স্যারের নলেজে দিয়েই করি। কিছুক্ষণ পর হোটেল ম্যানেজার ইমরান ও জামাল ওরফে রাজু হোটেল মালিক আবুল হোসেন সবুজ, ও রোজ ভিউ আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার সবুজ, নারী পাচারকারী দালাল- শাজাহান, আকাশ, বাচ্চু, মাটি, নাঈম, গেন্ডারিয়া থানার আহ্বায়ক পরিচয়দানকারী মুসা রুমে এসে
লোকজনের সাথে সেখানে যাওয়া সাংবাদিকদের হুমকির সুরে বলেন, রোজ ভিউ ও আল হায়াত আবাসিক হোটেলেই শুধু নারী আর মাদক ব্যবসা হয় না সায়েদাবাদে আরও বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে এ অপকর্ম চলে। এছাড়া যাত্রাবাড়ি থানার ওসি রাজুর ব্যাচমেট অন্য থানার ওসি তার সায়েদাবাদে রয়েছে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল যেমন-মুনমুন, আকবর, মেহরান, তিতাস, রয়েল-২, মর্ডান, ইন্টার কম, সাথী। ঐ হোটেলগুলোতেও জমজমাট নারী ও মাদক ব্যবসা চলে।
হোটেলে কাজের বুয়া সাজাইয়া ভবনের তালায় তালায় মেয়ে মানুষ রাখিয়া দেদার্চে অসামাজিক কার্যকলাপ ও মাদক ব্যবসা করছে। তাছাড়া অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা সেখানে ওত পেতে থেকে এলাকায় নানা ধরনের অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে সেখানকার অপকর্ম তো কেউ দেখে না। পারলে ওসির ঐ হোটেলগুলোতে যেয়ে সেখানে রুমগুলোতে আটক থাকা বা বুয়া বেশে হোটেলের সর্দারনীদের কিছু করেন বা তাছাড়া তাদের বিরুদ্ধে কেউ অভিযোগ করলে তার আর বিপদের শেষ থাকে না। আপনারা আমার এই হোটেল থেকে দ্রুত চলে যান নয়ত আপনারা নিজেরাই বিপদে পরবেন। আপনারা এখান থেকে না চলে গেলে আমি ওসি সাহেবকে ফোন করে আপনাদের বিপদে ফালানোর ব্যবস্থা করব। এ রকম হুমকি ধমকি দিয়ে থাকেন।
সায়েদাবাদ এলাকার বসবাস করা হাজী মোয়াজ্জেম আলী বলেন, সায়েদাবাদের হোটেল গুলো এক নরকে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়তই দেখা যায় হোটেলে অবাদে নারী পুরুষদের উঠানামা হচ্ছে। মাঝে মধ্যে হোটেলগুলো হতে নারীরা কান্না করতে করতে নেমে আসে। বিগত দিনে যাত্রাবাড়ি এলাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নারীর ঝুলন্ত লাশ পাওয়া গেছে। ঐ সকল নারীদের দালালরা বিভিন্ন কৌশলে এনে তাদের বশে আনতে না পেরে নারীদের হত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে। যাত্রাবাড়ি এলাকার হোটেলগুলোতে যত ধরনের অপকর্মই চলুক না কেন পুলিশের সখ্যতা থাকায় এই হোটেলগুলোর অপকর্ম বন্ধ হয় না। বিশেষ করে থানার ওসি, ইনেস্পেক্টর তদন্ত , ইন্সেপেক্টর অপারেশন, ডেমরা জোনে এসির রুমে মাঝে মধ্যে দেখা যায় আবাসিক হোটেল মালিকরা কেউ কেউ বৈষম্য বিরোধী সহ বিভিন্ন মামলার পলাতক দাগী দোষী ফেরারি আসামীরা বন্ধু বেশে খোশ গল্প এবং চায়ের দাওয়াত গ্রহন করে বিভিন্ন আড্ডায় মগ্ন থাকে। এরকম দৃশ্য হরহামেশায় দেখা যায়।

খোজ খবর নিয়ে ক্রাইম নিউজ মিডিয়া জানতে পারেন মাকসুদার দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব ভার বর্তমানে গ্রহণ করেছেন। যাত্রাবাড়ি ফাঁড়ির ইনচার্জ। হোটেলগুলোর তথ্য অনুসন্ধানকালে ইংলিশ মিডিয়ামে দশম শ্রেণিতে পড়–য়া এক স্কুল ছাত্রী ছদ্দ নাম জুঁই এক শিশু কিশোরী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায়ঃ আমি দশম শ্রেণির ছাত্রী। সংসারে অভাব অনটন হওয়ায় পড়াশোনার পাশাপাশি একটি চাকুরীর সন্ধান করিতেছিলাম।এমতাবস্থায় গত ইংরেজি ২৪/১০/২০২৫ইং তারিখ যাত্রাবাড়ি থানাধীন সায়েদাবাদ হোল্ডিং নং-৯/এ/৬, রোজ ভিউ আবাসিক হোটেল, জাকির টাওয়ার (৬ষ্ঠ তলা), সায়েদাবাদ, থানা-যাত্রাবাড়ি, জেলা: ঢাকা। চাকুরীর সন্ধান করিতে আসিয়া একটি চক্রের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হই।
উক্ত বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় আমি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করি। যাহার মামলা নং-৬৫, তারিখ-২৪/১০/২০২৫ইং, বাৎসরিক নং-৯৭১, আইনের ধারা-৯(৩) ৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। উক্ত মামলায় আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও যাত্রাবাড়ি থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা  গ্রেফতার না করায় বিভিন্ন সময় আমার মোবাইল ফোনে ফোন করিয়া মামলা তুলিয়া নেওয়ার জন্য আমাকে নানাবিধ হুমকি দিয়ে আসতেছিল। মামলা চলমান অবস্থায় হোটেল ব্যবসায়ী দালালদের পুলিশের সাথে সখ্যতা থাকায় ও ওসি, এসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন, নারী ব্যবসায়ী আমার মামলার আসামী দালালদের কাছ হতে নিয়মিত মাসোহারা পাওয়ায় ও পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা থাকায় মামলাটি হেন্ডওভার করেন। ঢাকা ডিএমপি ডিবির কাছে। ডিবিতে মামলা যাওয়ার পর ডিবির তদন্ত কর্মকর্তার সাথে আসামী গ্রেফতারের জন্য বললে সেও আসামী গ্রেফতারে তাল বাহানা করে।
এমতাবস্থায় আমি ১৮/০৩/২০২৬ইং তারিখে যাত্রাবাড়ি থানাধীন সায়েদাবাদ জনপদ মোড়ে দাড়িয়ে রাজধানী মার্কেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়ি পাওয়ার অপেক্ষা করতেছিলাম। ঐ মূহুর্তে হঠাৎ আমার মামলার এজাহার নামীয় কয়েকজন আসামী সহ অজ্ঞাতনামা বেশ কিছু সংঘবদ্ধ বিবাদীগণদের দেখতে পাই। তারাও আমাকে দেখতে পেয়ে আমার চারপাশ ঘিরে ফেলে সুমন আমার গলায় একটি ধারালো চাকু ঠেকায় এবং অন্যান্য বিবাদীরা বলে যে আমাদের সাথে চুপচাপ ঘটনাস্থলের রোজ ভিউ হোটেলে চল। এক পর্যায়ে, আমাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল রোজ ভিউ আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। এমতাবস্থায় আমি কৌশলে আমার মামলার আয়ু কে আমার ব্যবহৃত নাম্বার হতে ফোন করি। কয়েকবার ফোন দিলে তদন্ত কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করে নাই। ঐ মুহুর্তে বিবাদীগণরা আমার হাত থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে দেখতে পায় আমি কোন পুলিশকে ফোন দিয়েছি তখন আমাকে বিবাদীরা একটি রুমে নিয়ে সবাই মিলে কিল ঘুষি লাথি সহ বিভিন্ন ভাবে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নিলাফোলা জখম করে বিবাদীগণ আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এরিমধ্যে আমার ডাক চিৎকারে হোটেলের আশে পাশের রুমের লোকজন বেরিয়ে আসে। ঐ মুহুর্তে বিবাদীরা আমাকে মামলা তুলে নেওয়া সহ নানা ধরনের ভয়-ভীতি দেখাইয়া ছাড়িয়া দেয়।
আমি ঘটনাস্থল থেকে নামিয়া অসুস্থ থাকায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ট হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেই।
যাহার টিকেট সিরিয়াল নং-৩৩১, রেজি: নং-ঝঝগঈগঐ২৬৩১৮৫১৩১১৬৩৫২-৭, তারিখ-১৮/০৩/২০২৬ইং। চিকিৎসা শেষে ৯৯৯ ফোন দিয়া বিষয়টি যাত্রাবাড়ি থানার ডিউটি অফিসারকে অবগত করলে কিছুক্ষণ পর একজন এ এস আই যাহার মোবাইল নং-০১৭৩৫-৫৪৪১৩৪ আমাকে ফোন করে যাত্রাবাড়ি থানায় যেতে বললে আমি যাত্রাবাড়ি থানায় এসে আমার ঘটনার বিষয় পুলিশকে অবগত করি এবং একটি লিখিত এজাহার দিলে যাত্রাবাড়ি থানায় আমার ঘটনায় সত্যতা পাওয়ার পর থানায় একটি মামলা রুজু করেন। যাহার মামলা নং-৭১, তারিখ-২০/০৩/২০২৬ইং। মামলার বাদীনী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন, আমি অবাক হচ্ছি যে, দুটি মামলা হওয়ার পরেও অদ্য পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামী গ্রেফতার করে নাই। পুলিশকে আসামী ধরতে বললে, থানার পুলিশ বলে, থানায় আসেন আর ডিবিকে বললে, তারা বলে মিন্টু রোড ডিবি অফিসে আসেন। আমি বারবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে গিয়ে ধরনা ধরছি। এবং ্আসামীদের অবস্থান সনাক্ত করে দিচ্ছি। তাতে কেউ আসামী গ্রেফতার করে না। আসলে এটা কি পুলিশের দায়িত্ব অবহেলা না পুলিশের ব্যর্থতা আমি বুঝে উঠতে পারছি না। অন্য দিকে আসামীরা ঘটনাস্থল রোজ ভিউ আবাসিক হোটেলে আমার মতো এমন ঘটনা প্রতিনিয়তই কারো না কারো সাথে করছে। ঐ হোটেলে দালালদের মাধ্যমে হোটেল মালিকরা বিভিন্ন নারীদের সংগ্রহ করিয়া রুমগুলোতে আটক রাখিয়া গণধর্ষণের পর পুরুষ খদ্দেরের হাতে তুলে দিচ্ছে। এছাড়া হোটেল দালালদের যাত্রাবাড়ি এলাকা সহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া করা ফ্ল্যাট বাসাবাড়ি রয়েছে সেখানে ও নারী ব্যবসা মাদক সেবন এর মতো কর্মকান্ড পরিচালনা করছে। এদের সেল্টারে পুলিশ সহ এলাকার মাস্তান, দলীয় নেতা ও বই ফোড় চির অচেনা নামধারী পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয়দানকারী ব্যক্তিবর্গরা দালালদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হলেই তাদের মামলা হতে রেহায় পাইয়ে দিতে মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ম্যানেজে ব্যস্ত হয়ে পরেন।
ব্যর্থ হলে, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে, মামলার কার্যক্রম ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে। এ সকল দালালদের জন্য ডিএমপির বিভিন্ন থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা নানা বিভ্রান্তীতে পরেন। তাই ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হন ভোক্তভোগীরা। এদিকে যাত্রাবাড়ি সহ ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ঘুরে দেখা যায় সন্ধ্যার পর হতেই থানায় আগত ভোক্তভোগীদের আশেপাশে হঠাৎ দেখা যায় কিছু তদগির বাজ তাদের দেখে মনে হয় তারাই আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য। এক পর্যায়, তাদের কাছ থেকে পরিচয় পাওয়া যায় এ সকল তদগির কারকরা কোন না কোন চির অচেনা পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে থানায় আগত ভোক্তভোগীদের কথার চালে বশ করে বিভিন্ন মামলার অভিযোগ মামলার সহযোগিতা করেন। আর ঐ সকল তদগির কারকদের কথা থানার কর্মকর্তারা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।
তাছাড়া ভোক্তভোগী নারী বলেন, আমার মতো ভুক্ত ভোগী অনেক নারীরা থানায় গিয়ে কমপ্লিন করলে পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেন না। ন্যায় বিচার না পেয়ে অসহায়ের মতো ভুক্তভোগী নারীরা মামলা না করে থানা হতে চলে আসতে বাধ্য হচ্ছে। আসলে যাত্রাবাড়ি থানা পুুলিশ রোজ ভিউ, আল হায়াত আবাসিক হোটেল সহ নারী ব্যবসা চলা হোটেলগুলোকে অপরাধ কর্ম করতে সাহায্য করছে। ঐ নারী বেশ কিছু আসামীর ছবির তালিকা ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার কাছে প্রকাশ করেন এবং তিনি ন্যায় বিচার চান।
এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি, ইনেস্পেক্টর তদন্ত , ইন্সেপেক্টর অপারেশন ও ডেমরা জোনে এসির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায় নি।
তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব- ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) এসআই রাসেল সরদার এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন ঘটনাস্থলের সিসি ফুটেজ দেখে আসামীদের সনাক্ত করে ধরে ফেলব। বাদীনীর সাথে আমার কথা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com