ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

১০০৮ রানের লিড, রঞ্জিতে ভাঙল ৭৩ বছরের পুরোনো রেকর্ড

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২
  • ২২৫ বার পড়া হয়েছে

প্রথম ইনিংসের লিডটাই ছিল বিশাল। ৫৯১ রানের লিডেই রঞ্জি ট্রফির শেষ চারে উঠে গিয়েছিল ঝাড়খণ্ড। তবে নাগাল্যান্ডের দুর্দশা সেখানেই শেষ করেনি ঝাড়খণ্ড, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও গড়েছে রানের পাহাড়, লিড নিয়েছে ১০০৮ রানের। তাতেই গড়া হয়ে গেছে ইতিহাসটা। রঞ্জি ট্রফি তো বটেই, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসেই এটা সর্বোচ্চ রানের লিড। দুই দল মিলিয়ে সামগ্রিক রানের বিচারেও এই ম্যাচ উঠে গেছে সবার ওপরে। 

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ঝাড়খণ্ড। ১৭ বছর বয়সি কুমার কুশাগ্রের ২৬৬, বিরাট সিং ও শাহবাজ নাদিমের সেঞ্চুরিতে ৮৮০ রান তোলে দলটি। জবাবে নাগাল্যান্ড অলআউট হয় মাত্র ২৮৯ রান তুলতেই। ফলে প্রথম ইনিংসে ৫৯১ রানের লিড নেয় ঝাড়খণ্ড।

সুযোগ ছিল ফলো অন করানোর, কিন্তু ঝাড়খণ্ডের অধিনায়ক যেন কোয়ার্টারের আগের ব্যাটিং প্রস্তুতিকেই বড় করে দেখলেন। রেকর্ডের ভাবনাও হয়তো উঁকিঝুঁকি মারছিল দলটিতে। তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেরাই ব্যাট করতে নামে দলটি।

দ্বিতীয় ইনিংসেও দলটির ব্যাটিং দাপট অব্যহত থাকে। অনুকূল রায় করেন সেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে ২৬৬ করা কুশাগ্র দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছেন, তবে শেষমেশ ১১ রান দূরে থেকে ফেরেন সাজঘরে। তাতে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪১৭ রান তোলে ঝাড়খণ্ড।

ঝাড়খণ্ড ও নাগাল্যান্ডের এই ম্যাচ জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসে। তিনটি ইনিংসে এই ম্যাচে ১৫৮৬ রান উঠেছে। এটিই রঞ্জির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ডটি হয়েছে খুব বেশিদিন হয়নি। গেল ফেব্রুয়ারিতে বিহার-সিকিমের ম্যাচে উঠেছিল ১৩৬৭ রান। সেটিকে দুইয়ে ঠেলে দিয়েছে ঝাড়খণ্ড ও নাগাল্যান্ডের এই ম্যাচ।

এক ম্যাচে এক দলের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা একটুর জন্য ভাঙতে পারেনি এই ম্যাচ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ঝাড়খণ্ড তুলেছে ১২৯৭ রান, যা এক ম্যাচে সামগ্রিক রানের বিচারে কোনো দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তৎকালীন বম্বে ১৩৬৫ তুলেছিল। সেটিই এখনো আছে সবার ওপরে। পরের রেকর্ডটাও বম্বেরই। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলটি ১৩০১ রান তুলেছিল।

তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের লিডের রেকর্ডটা ঠিকই বাগিয়ে নিয়েছে ঝাড়খণ্ড। ১০০৮ রানের লিড এর আগে কোনো দলই যে নিতে পারেনি। আগের রেকর্ডটা ছিল বম্বেরই। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে দলটি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯৫৮ রানের লিড নিয়ে রেকর্ডটি গড়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

১০০৮ রানের লিড, রঞ্জিতে ভাঙল ৭৩ বছরের পুরোনো রেকর্ড

আপডেট সময় ০১:৪০:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২

প্রথম ইনিংসের লিডটাই ছিল বিশাল। ৫৯১ রানের লিডেই রঞ্জি ট্রফির শেষ চারে উঠে গিয়েছিল ঝাড়খণ্ড। তবে নাগাল্যান্ডের দুর্দশা সেখানেই শেষ করেনি ঝাড়খণ্ড, দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও গড়েছে রানের পাহাড়, লিড নিয়েছে ১০০৮ রানের। তাতেই গড়া হয়ে গেছে ইতিহাসটা। রঞ্জি ট্রফি তো বটেই, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ইতিহাসেই এটা সর্বোচ্চ রানের লিড। দুই দল মিলিয়ে সামগ্রিক রানের বিচারেও এই ম্যাচ উঠে গেছে সবার ওপরে। 

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ঝাড়খণ্ড। ১৭ বছর বয়সি কুমার কুশাগ্রের ২৬৬, বিরাট সিং ও শাহবাজ নাদিমের সেঞ্চুরিতে ৮৮০ রান তোলে দলটি। জবাবে নাগাল্যান্ড অলআউট হয় মাত্র ২৮৯ রান তুলতেই। ফলে প্রথম ইনিংসে ৫৯১ রানের লিড নেয় ঝাড়খণ্ড।

সুযোগ ছিল ফলো অন করানোর, কিন্তু ঝাড়খণ্ডের অধিনায়ক যেন কোয়ার্টারের আগের ব্যাটিং প্রস্তুতিকেই বড় করে দেখলেন। রেকর্ডের ভাবনাও হয়তো উঁকিঝুঁকি মারছিল দলটিতে। তাতে দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেরাই ব্যাট করতে নামে দলটি।

দ্বিতীয় ইনিংসেও দলটির ব্যাটিং দাপট অব্যহত থাকে। অনুকূল রায় করেন সেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে ২৬৬ করা কুশাগ্র দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছেন, তবে শেষমেশ ১১ রান দূরে থেকে ফেরেন সাজঘরে। তাতে ৬ উইকেট হারিয়ে ৪১৭ রান তোলে ঝাড়খণ্ড।

ঝাড়খণ্ড ও নাগাল্যান্ডের এই ম্যাচ জায়গা করে নিয়েছে ইতিহাসে। তিনটি ইনিংসে এই ম্যাচে ১৫৮৬ রান উঠেছে। এটিই রঞ্জির ইতিহাসে সর্বোচ্চ। আগের রেকর্ডটি হয়েছে খুব বেশিদিন হয়নি। গেল ফেব্রুয়ারিতে বিহার-সিকিমের ম্যাচে উঠেছিল ১৩৬৭ রান। সেটিকে দুইয়ে ঠেলে দিয়েছে ঝাড়খণ্ড ও নাগাল্যান্ডের এই ম্যাচ।

এক ম্যাচে এক দলের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা একটুর জন্য ভাঙতে পারেনি এই ম্যাচ। দুই ইনিংস মিলিয়ে ঝাড়খণ্ড তুলেছে ১২৯৭ রান, যা এক ম্যাচে সামগ্রিক রানের বিচারে কোনো দলের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তৎকালীন বম্বে ১৩৬৫ তুলেছিল। সেটিই এখনো আছে সবার ওপরে। পরের রেকর্ডটাও বম্বেরই। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলটি ১৩০১ রান তুলেছিল।

তবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানের লিডের রেকর্ডটা ঠিকই বাগিয়ে নিয়েছে ঝাড়খণ্ড। ১০০৮ রানের লিড এর আগে কোনো দলই যে নিতে পারেনি। আগের রেকর্ডটা ছিল বম্বেরই। ১৯৪৮-৪৯ মৌসুমে দলটি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৯৫৮ রানের লিড নিয়ে রেকর্ডটি গড়েছিল।