1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

ইয়েমেন যুদ্ধে ২ হাজার শিশুযোদ্ধা নিহত হয়েছে : জাতিসংঘ

  • আপডেট সময় সোমবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২২, ১০.১৩ এএম
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

ইয়েমেনে চলমান লড়াইয়ে প্রায় ২ হাজার শিশুযোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির যুদ্ধক্ষেত্রে এই বিপুল সংখ্যক শিশুযোদ্ধা প্রাণ হারায়।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে বলে রোববার (৩০ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের চার সদস্যের প্যানেল জানিয়েছে, শিশুদের হুথি বিদ্রোহীদের স্লোগান দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই স্লোগানে ‘আমেরিকার মৃত্যু, ইসরায়েলের মৃত্যু, ইহুদিদের প্রতি অভিশাপ, ইসলামের বিজয়’ উচ্চারণ করা হচ্ছে। তাদের ভাষায়, ‘একটি ক্যাম্পে ৭ বছর বয়সী শিশুদেরও অস্ত্র পরিষ্কারের এবং রকেট হামলার শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে।’

প্যানেল আরও জানিয়েছে, ২০২০ সালে যুদ্ধের ময়দানে প্রাণ হারানো ১ হাজার ৪০৬ জন শিশু যোদ্ধার নামের তালিকা তাদের হাতে এসেছে। এছাড়া ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে মে মাসের মধ্যে নিহত আরও ৫৬২ জন শিশুযোদ্ধার তালিকাও জাতিসংঘের হাতে রয়েছে। এসব শিশুযোদ্ধাকে হুথি বিদ্রোহীরা নিয়োগ করেছিল।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, নিহত প্রায় ২ হাজার শিশু যোদ্ধার বয়স ১০ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু আমরান, হাজ্জাহ, হোদেইদাহ, ইব্ব, সাদা এবং সানায় নিহত হয়।

২০১৫ সালের শুরুর দিকে হুথি বিদ্রোহীদের হামলার মুখে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনের ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদি ক্ষমতা ছেড়ে সৌদি আরবে পালিয়ে যান। ক্ষমতাচ্যুত এই প্রেসিডেন্টকে ফেরাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ইয়েমেনে হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে।

অভিযানের শুরুর পর ইয়েমেনের রাজনৈতিক সংকটের অবসান হওয়ার পরিবর্তে তা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। বর্তমানে ইয়েমেনে কার্যত দুই শাসকগোষ্ঠী সক্রিয় আছে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামরিক সহযোগিতার ওপর ভর করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চল এখনও মনসুর হাদির নেতৃত্বাধীন সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে, অন্যদিকে উত্তরাঞ্চল সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে হুথি বিদ্রোহীরা।

গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে আরব বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র দেশ ইয়েমেন ভয়াবহ মানবিক সংকটের মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে। বিদ্রোহী বাহিনী দেশটির কেন্দ্রীয় শহর মারিব এবং উপকূলীয় শহর হোদেইদাকে টার্গেট করেছে। অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট রাজধানী সানা এবং অন্যান্য বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে বিমান হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইয়েমেনের এই সংঘাতকে মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্যের লড়াইয়ে সৌদি-ইরানের ‘ছায়াযুদ্ধ’ হিসেবে দেখা হয়। টানা গৃহযুদ্ধ ও সংঘাত চলার ফলে প্রায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এবং এক সময়ের স্বচ্ছল এই দেশ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com