ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি জো বাইডেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৫২৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম২৪ডটকমঃ
মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নিষেধাজ্ঞারোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত নির্বাচনে বড় জয় পাওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি নেত্রী অং সাং সু চি ও দেশটির প্রেসিডেন্টসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছিল।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তার প্রশাসন মিয়ানমারের উপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করবে।

বাইডেন বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনতার ইচ্ছার যে প্রকাশ ঘটেছে, জোর করে তার উপর বাহিনীর শক্তিপ্রদর্শন করা উচিত নয়’।

মিয়ানমারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর অনেক নিষেধাজ্ঞাই ধীরে ধীরে তুলে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেনা অভ্যুত্থানের পর সেই নিষেধাজ্ঞা ফের চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সতর্কবার্তা দিয়ে বাইডেন বলেন, ‘গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ হলেই, পাশে দাঁড়াবে যুক্তরাষ্ট্র।’

জাতিসংঘ ও ব্রিটেনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেন, এই অভ্যুত্থান নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবে নিরাপত্তা পরিষদ। মিয়ানমারের এই অভ্যুত্থানকে ‘গণতন্ত্রের উপর মারাত্মক আঘাত’ বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও অভ্যুত্থানের কড়া নিন্দার পাশাপাশি সু চির আটককে ‘বেআইনি’ বলেছেন। তবে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইনের মতো মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলো বিষয়টিকে ওই দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা বলে এড়িয়ে গিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

মিয়ানমারে নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি জো বাইডেন

আপডেট সময় ০১:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সিএনএম২৪ডটকমঃ
মিয়ানমারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নিষেধাজ্ঞারোপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত নির্বাচনে বড় জয় পাওয়া ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি নেত্রী অং সাং সু চি ও দেশটির প্রেসিডেন্টসহ শীর্ষ নেতাদের আটক করে ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কড়া বার্তা দেয়া হয়েছিল।

এক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে তার প্রশাসন মিয়ানমারের উপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করবে।

বাইডেন বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনতার ইচ্ছার যে প্রকাশ ঘটেছে, জোর করে তার উপর বাহিনীর শক্তিপ্রদর্শন করা উচিত নয়’।

মিয়ানমারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর অনেক নিষেধাজ্ঞাই ধীরে ধীরে তুলে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেনা অভ্যুত্থানের পর সেই নিষেধাজ্ঞা ফের চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সতর্কবার্তা দিয়ে বাইডেন বলেন, ‘গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ হলেই, পাশে দাঁড়াবে যুক্তরাষ্ট্র।’

জাতিসংঘ ও ব্রিটেনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস বলেন, এই অভ্যুত্থান নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসবে নিরাপত্তা পরিষদ। মিয়ানমারের এই অভ্যুত্থানকে ‘গণতন্ত্রের উপর মারাত্মক আঘাত’ বলে চিহ্নিত করেছেন তিনি।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও অভ্যুত্থানের কড়া নিন্দার পাশাপাশি সু চির আটককে ‘বেআইনি’ বলেছেন। তবে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইনের মতো মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলো বিষয়টিকে ওই দেশের অভ্যন্তরীণ ঘটনা বলে এড়িয়ে গিয়েছে।