ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষবারের মতো কর্মস্থলে দুদক পরিচালক জুলফিকার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মো. জুলফিকার আলী। বরিশালের বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহে গফরগাঁওয়ে। ব্যক্তিজীবনে দুই সন্তানের জনক তিনি।

স্ত্রী ও সন্তানসহ ঢাকার খিলক্ষেতে থাকতেন জুলফিকার। পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়ে বরিশালে বদলি হন। ইচ্ছা ছিল দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বদলি হয়ে পুনরায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করবেন।

বুধবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় দুদক কার্যালয়ে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, কমিশনার মোজাম্মেল হক খান ও জহুরুল হক, দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেনসহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানাজায় অংশ নেন।

জনাজার আগে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ তার আত্মার শান্তি কামনায় সবার কাছে দোয়া চান। এছাড়াও তার ব্যাচমেট পরিচালক আকতার হোসেন ও উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদাসহ সহকর্মীরা জুলফিকার আলীর কর্মজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। তারা জুলফিকার আলীর দক্ষতা ও সততার প্রশংসা করেন।

dhaka post

দুদক সূত্রে জানা যায়, জুলফিকার আলী গত জানুয়ারিতে বরিশালে বিভাগীয় অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম অসুস্থ হন। প্রথমে বরিশালের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ভারতের হায়দ্রাবাদে চিকিৎসা নেন। তিনি দুরারোগ্য লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

জুলফিকার আলী ছোটবেলা কেটেছে ঢাকার মহাখালী এলাকায়। পড়ালেখা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। জেলা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা হিসেবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে ১৯৯৫ সালে যোগদান করেন। ২০০৭ সালে উপ পরিচালক ও ২০১৯ সালে পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষবারের মতো কর্মস্থলে দুদক পরিচালক জুলফিকার

আপডেট সময় ০১:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ এপ্রিল ২০২২

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মো. জুলফিকার আলী। বরিশালের বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহে গফরগাঁওয়ে। ব্যক্তিজীবনে দুই সন্তানের জনক তিনি।

স্ত্রী ও সন্তানসহ ঢাকার খিলক্ষেতে থাকতেন জুলফিকার। পরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়ে বরিশালে বদলি হন। ইচ্ছা ছিল দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বদলি হয়ে পুনরায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করবেন।

বুধবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টায় দুদক কার্যালয়ে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ, কমিশনার মোজাম্মেল হক খান ও জহুরুল হক, দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেনসহ শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানাজায় অংশ নেন।

জনাজার আগে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ তার আত্মার শান্তি কামনায় সবার কাছে দোয়া চান। এছাড়াও তার ব্যাচমেট পরিচালক আকতার হোসেন ও উপপরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল হুদাসহ সহকর্মীরা জুলফিকার আলীর কর্মজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরেন। তারা জুলফিকার আলীর দক্ষতা ও সততার প্রশংসা করেন।

dhaka post

দুদক সূত্রে জানা যায়, জুলফিকার আলী গত জানুয়ারিতে বরিশালে বিভাগীয় অফিসে কর্মরত থাকা অবস্থায় প্রথম অসুস্থ হন। প্রথমে বরিশালের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ভারতের হায়দ্রাবাদে চিকিৎসা নেন। তিনি দুরারোগ্য লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

জুলফিকার আলী ছোটবেলা কেটেছে ঢাকার মহাখালী এলাকায়। পড়ালেখা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে। জেলা দুর্নীতি দমন কর্মকর্তা হিসেবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে ১৯৯৫ সালে যোগদান করেন। ২০০৭ সালে উপ পরিচালক ও ২০১৯ সালে পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। মৃত্যুকালে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।