ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

সাভারে জমি লিখে দিতে মা-মেয়েকে তুলে নিয়ে মারধর

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২
  • ২১০ বার পড়া হয়েছে

সাভারের আশুলিয়ায় সুদের টাকা পরিশোধ না করা ও এর পরিবর্তে জমি লিখে দিতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মা-মেয়েসহ নিকটাত্মীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। দাদন ব্যবসায়ী সাবেক ছাত্রদল নেতা বিপ্লব মীর ও তার মা তাদের মারধর করেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৪ মার্চ) সকালে আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর মীর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে গেলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেয় পুলিশ।

সোমবার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহীন মিয়া।

এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর মীর বাড়ি এলাকার মোহাম্মদ আলির ছেলে হাফিজুদ্দিন (৩২), নূর ইসলাম মোল্লার ছেলে সোহাগ মোল্লা (৩০), রিপা আক্তার (৩০) ও তার মা মনোয়ারা বেগম (৫৫)। তাদের মধ্যে রিপা আক্তারের স্বামী আবু সাঈদ দাদন ব্যবসায়ী শামীমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা সুদে নিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই এলাকার মান্নান মীরের ছেলে থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য বিপ্লব মীর (৩০) ও তার মা শামীমা বেগম (৫০)।

ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রায় আট বছর আগে ব্যবসার জন্য দাদন ব্যবসায়ী শামীমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা সুদে নেন রিপা আক্তারের স্বামী আবু সাঈদ। যার বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন সাঈদ। তবে করোনা মহামারিতে ব্যবসায় ধস নামায় আর পাওনাদারের অত্যাচারে ১০ দিন আগে আত্মগোপনে যান আবু সাঈদ। পরে শামীমা ও তার ছেলে সাবেক যুবদল নেতা বিপ্লব মীর বাড়ির জমি লিখে দিতে রিপা আক্তার ও তার মা মনোয়ারাকে চাপ দিতে থাকেন।

এদিকে মারধরে অবস্থার অবনতি হলে হাফিজুদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ব্যাপারে ছাত্রদল নেতা বিপ্লব মীর বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি। বরং তারাই আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আর আটকে রেখে মারধরের তো প্রশ্নই আসে না।

আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) শাহীন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষই থানায় এসেছিল। তাদের দুপক্ষরই তদন্তের দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

সাভারে জমি লিখে দিতে মা-মেয়েকে তুলে নিয়ে মারধর

আপডেট সময় ০৫:৪১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মার্চ ২০২২

সাভারের আশুলিয়ায় সুদের টাকা পরিশোধ না করা ও এর পরিবর্তে জমি লিখে দিতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে মা-মেয়েসহ নিকটাত্মীয়দের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। দাদন ব্যবসায়ী সাবেক ছাত্রদল নেতা বিপ্লব মীর ও তার মা তাদের মারধর করেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (১৪ মার্চ) সকালে আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর মীর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে আশুলিয়া থানায় মামলা করতে গেলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নেয় পুলিশ।

সোমবার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহীন মিয়া।

এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর মীর বাড়ি এলাকার মোহাম্মদ আলির ছেলে হাফিজুদ্দিন (৩২), নূর ইসলাম মোল্লার ছেলে সোহাগ মোল্লা (৩০), রিপা আক্তার (৩০) ও তার মা মনোয়ারা বেগম (৫৫)। তাদের মধ্যে রিপা আক্তারের স্বামী আবু সাঈদ দাদন ব্যবসায়ী শামীমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা সুদে নিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন একই এলাকার মান্নান মীরের ছেলে থানা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য বিপ্লব মীর (৩০) ও তার মা শামীমা বেগম (৫০)।

ভুক্তভোগীরা বলেন, প্রায় আট বছর আগে ব্যবসার জন্য দাদন ব্যবসায়ী শামীমার কাছ থেকে সাত লাখ টাকা সুদে নেন রিপা আক্তারের স্বামী আবু সাঈদ। যার বিনিময়ে প্রতি মাসে ১৪ হাজার টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন সাঈদ। তবে করোনা মহামারিতে ব্যবসায় ধস নামায় আর পাওনাদারের অত্যাচারে ১০ দিন আগে আত্মগোপনে যান আবু সাঈদ। পরে শামীমা ও তার ছেলে সাবেক যুবদল নেতা বিপ্লব মীর বাড়ির জমি লিখে দিতে রিপা আক্তার ও তার মা মনোয়ারাকে চাপ দিতে থাকেন।

এদিকে মারধরে অবস্থার অবনতি হলে হাফিজুদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এ ব্যাপারে ছাত্রদল নেতা বিপ্লব মীর বলেন, আমি কাউকে মারধর করিনি। বরং তারাই আমার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। আর আটকে রেখে মারধরের তো প্রশ্নই আসে না।

আশুলিয়া থানার সহকারী উপপরির্দশক (এএসআই) শাহীন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষই থানায় এসেছিল। তাদের দুপক্ষরই তদন্তের দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে।