ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেশের মানুষ সীমাহীন অর্থনৈতিক কষ্টে আছে : জিএম কাদের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২
  • ২৬৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের মানুষ সীমাহীন অর্থনৈতিক কষ্টে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, সরকার বলছে দেশ অনেক এগিয়েছে, মানুষের আয় বেড়েছে। দেশের প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে। কিন্তু টিসিবির ট্রাকের পাশে মানুষের লাইন দেখলেই বোঝা যায় মানুষ কতটা ভালো আছে।

শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সম্মেলনে আগামী দুই বছরের জন্য জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণে পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে সভাপতি ও জহিরুল ইসলাম রুবেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতেও নির্দেশ দেন পার্টির চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, যারা সরকারি দল করেন, শুধু তারাই অর্থনৈতিকভাবে ভালো আছেন। তারা লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দলবাজি আর দখলের রাম রাজত্ব কায়েম করেছে। মানুষ কারো কাছে বিচার দিতে পারে না। মানুষ জানে না কার কাছে গেলে কোন প্রতিকার মিলবে। কারো হয়তো আয় বেড়েছে লাখ-লাখ টাকা, আর বেশিরভাগ মানুষের আয় কমেছে। তাই কাগজে কলমে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সুফল পাচ্ছে না দেশের সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দেশের মানুষ বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চায়।

তিনি আরও বলেন, তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৯০ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এরপর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সীমাহীন দুর্নীতি করে দেশের অর্থনীতি ভেঙে দিয়েছে। দুটি দল শুধু দলের নেতা ও কর্মীদের স্বার্থ বোঝে। তারা দেশ ও মানুষের স্বার্থ বোঝে না। ব্যাংকে টাকা নেই, ব্যাংকগুলো বড় লেনদেন করতে পারে না। ১৯৯০ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সংবিধানে ইচ্ছে মতো কাটাকাটি করে স্বৈরতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশিদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য-সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, এসএম ফয়সাল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের মানুষ সীমাহীন অর্থনৈতিক কষ্টে আছে : জিএম কাদের

আপডেট সময় ০৯:১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২

দেশের মানুষ সীমাহীন অর্থনৈতিক কষ্টে আছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তিনি বলেন, সরকার বলছে দেশ অনেক এগিয়েছে, মানুষের আয় বেড়েছে। দেশের প্রবৃদ্ধি ঈর্ষণীয় পর্যায়ে। কিন্তু টিসিবির ট্রাকের পাশে মানুষের লাইন দেখলেই বোঝা যায় মানুষ কতটা ভালো আছে।

শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। সম্মেলনে আগামী দুই বছরের জন্য জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর দক্ষিণে পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে সভাপতি ও জহিরুল ইসলাম রুবেলকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতেও নির্দেশ দেন পার্টির চেয়ারম্যান।

জিএম কাদের বলেন, যারা সরকারি দল করেন, শুধু তারাই অর্থনৈতিকভাবে ভালো আছেন। তারা লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দলবাজি আর দখলের রাম রাজত্ব কায়েম করেছে। মানুষ কারো কাছে বিচার দিতে পারে না। মানুষ জানে না কার কাছে গেলে কোন প্রতিকার মিলবে। কারো হয়তো আয় বেড়েছে লাখ-লাখ টাকা, আর বেশিরভাগ মানুষের আয় কমেছে। তাই কাগজে কলমে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির সুফল পাচ্ছে না দেশের সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। দেশের মানুষ বর্তমান পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চায়।

তিনি আরও বলেন, তিন জোটের রূপরেখা অনুযায়ী পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৯০ সালে রাষ্ট্র ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এরপর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সীমাহীন দুর্নীতি করে দেশের অর্থনীতি ভেঙে দিয়েছে। দুটি দল শুধু দলের নেতা ও কর্মীদের স্বার্থ বোঝে। তারা দেশ ও মানুষের স্বার্থ বোঝে না। ব্যাংকে টাকা নেই, ব্যাংকগুলো বড় লেনদেন করতে পারে না। ১৯৯০ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সংবিধানে ইচ্ছে মতো কাটাকাটি করে স্বৈরতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশিদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য-সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, এসএম ফয়সাল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের প্রমুখ।