ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: এএসআই প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর: দুই বন্ধুকে আটক রেখে টাকা আদায়ের ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার এএসআই শাহাদাৎ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে তাকে প্রত্যাহার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার নস্করচালা এলাকার মনির হোসেন ও আলফাজ হোসেন নামে দুই বন্ধু নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে গাজীপুরের মোল্লাপাড়া এলাকায় বেড়াতে যায়। ফেরার পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে বাসন থাকার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহদাত হোসেন, কনস্টেবল নোমান ও মিন্টু তাদের গতিরোধ করে। পরে তারা তাদের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচায়ের নামে দেহ তল্লাশিসহ নানা ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি দেখায়। দুই কনস্টেবল তাদের পকেটে থেকে ৬ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে নেয়। পরে তাদের বাড়িতে খবর দিয়ে আরও টাকা আনতে বলে। খবর পেয়ে রাতেই মনির ও আলফাজের পিতা সেখানে যায়। সেখানে আরও ৬ হাজার টাকা দিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তারা আরও জানায়, মোটরসাইকেল ক্রয়ের রশিদও তাদের সঙ্গে ছিল। সেটি দেখালেও পুলিশ নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায় তাদের।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার প্রত্যাহারকৃত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহদাত হোসেন বলেন, আমি তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। এসব মিথ্যা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়: এএসআই প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৩:২৫:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২২

গাজীপুর: দুই বন্ধুকে আটক রেখে টাকা আদায়ের ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের বাসন থানার এএসআই শাহাদাৎ হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে তাকে প্রত্যাহার করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

ভুক্তভোগীরা জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার নস্করচালা এলাকার মনির হোসেন ও আলফাজ হোসেন নামে দুই বন্ধু নতুন মোটরসাইকেল নিয়ে গাজীপুরের মোল্লাপাড়া এলাকায় বেড়াতে যায়। ফেরার পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নাওজোড় এলাকায় পৌঁছালে বাসন থাকার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহদাত হোসেন, কনস্টেবল নোমান ও মিন্টু তাদের গতিরোধ করে। পরে তারা তাদের মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচায়ের নামে দেহ তল্লাশিসহ নানা ভাবে হয়রানি করে। এছাড়া মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ভীতি দেখায়। দুই কনস্টেবল তাদের পকেটে থেকে ৬ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে নেয়। পরে তাদের বাড়িতে খবর দিয়ে আরও টাকা আনতে বলে। খবর পেয়ে রাতেই মনির ও আলফাজের পিতা সেখানে যায়। সেখানে আরও ৬ হাজার টাকা দিলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

তারা আরও জানায়, মোটরসাইকেল ক্রয়ের রশিদও তাদের সঙ্গে ছিল। সেটি দেখালেও পুলিশ নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায় তাদের।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন বাসন থানার প্রত্যাহারকৃত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহদাত হোসেন বলেন, আমি তাদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেইনি। এসব মিথ্যা।