ঢাকা ০২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০২২
  • ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন আলোচকরা। তারা বলেছেন, নারীরা পারিবারিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে গৃহস্থালি কাজের অর্থমূল্য পরিশোধ নয় বরং নারীদের প্রাপ্য সম্মান প্রদান ও গৃহস্থালি কাজে পুরুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

সোমবার (২৮ মার্চ) ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রায় জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন হেলথ ব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিভাগীয় প্রধান (সমাজকর্ম বিভাগ) হাবিবুর রহমান, ডেভেলপমেন্ট ফর ডিজঅ্যাডভান্টেজ পিপলের (ডিডিপি) নির্বাহী পরিচালক কাজী সোহেল রানা, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান।

সৈয়দা অনন্যা রহমান বলেন, পারিবারিকভাবে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। নারীদের নিজেদের মাঝেই পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও মূল্যায়নের জায়গাটি প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। গৃহস্থালি কাজের মাধ্যমে নারীরা পারিবারিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও যথাযথ মূল্যায়ন পান না।

কাজী সোহেল রানা বলেন, সরকার নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নারীর অধিকার এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শহরের নারীদের তুলনায় গ্রামীণ নারীরা কম সুযোগ-সুবিধা পান। শহরের নারীদের পাশাপাশি গ্রামের নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

দেবরা ইফরইমসন বলেন, উন্নয়নশীল দেশের পাশাপাশি উন্নত দেশেও নারী পুরুষের বৈষম্য এখনও বিদ্যমান। এক্ষেত্রে নারী পুরুষ উভয়ের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। প্রতিযোগিতা নয়, বরং সহযোগিতার মাধ্যমে নারী-পুরুষ একত্রে কাজ করতে হবে।

গাউস পিয়ারী বলেন, অর্থনীতিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের অবদান অপরিসীম। গৃহস্থালি কাজের মাধ্যমে নারীদের ব্যাপক অবদান জাতীয় অর্থনীতিতে এখনও গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থনীতিতে নারীর অবদান সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে হলে আরও বৃহত্তর পরিসরে গবেষণা প্রয়োজন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি

আপডেট সময় ১০:২৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ ২০২২

জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি বলে উল্লেখ করেছেন আলোচকরা। তারা বলেছেন, নারীরা পারিবারিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয় না। জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে গৃহস্থালি কাজের অর্থমূল্য পরিশোধ নয় বরং নারীদের প্রাপ্য সম্মান প্রদান ও গৃহস্থালি কাজে পুরুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা আবশ্যক।

সোমবার (২৮ মার্চ) ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট আয়োজিত ‘ভবিষ্যৎ উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রায় জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন হেলথ ব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডার আঞ্চলিক পরিচালক দেবরা ইফরইমসন, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিভাগীয় প্রধান (সমাজকর্ম বিভাগ) হাবিবুর রহমান, ডেভেলপমেন্ট ফর ডিজঅ্যাডভান্টেজ পিপলের (ডিডিপি) নির্বাহী পরিচালক কাজী সোহেল রানা, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্টের কর্মসূচি প্রধান সৈয়দা অনন্যা রহমান।

সৈয়দা অনন্যা রহমান বলেন, পারিবারিকভাবে নারীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। নারীদের নিজেদের মাঝেই পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও মূল্যায়নের জায়গাটি প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। গৃহস্থালি কাজের মাধ্যমে নারীরা পারিবারিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা সত্ত্বেও যথাযথ মূল্যায়ন পান না।

কাজী সোহেল রানা বলেন, সরকার নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নারীর অধিকার এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। শহরের নারীদের তুলনায় গ্রামীণ নারীরা কম সুযোগ-সুবিধা পান। শহরের নারীদের পাশাপাশি গ্রামের নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

দেবরা ইফরইমসন বলেন, উন্নয়নশীল দেশের পাশাপাশি উন্নত দেশেও নারী পুরুষের বৈষম্য এখনও বিদ্যমান। এক্ষেত্রে নারী পুরুষ উভয়ের মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। প্রতিযোগিতা নয়, বরং সহযোগিতার মাধ্যমে নারী-পুরুষ একত্রে কাজ করতে হবে।

গাউস পিয়ারী বলেন, অর্থনীতিতে পুরুষের পাশাপাশি নারীদের অবদান অপরিসীম। গৃহস্থালি কাজের মাধ্যমে নারীদের ব্যাপক অবদান জাতীয় অর্থনীতিতে এখনও গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থনীতিতে নারীর অবদান সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে হলে আরও বৃহত্তর পরিসরে গবেষণা প্রয়োজন।